Tuesday, 30 October 2018

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

লেখক

: মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান

সহযােগিতায়

: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান

সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম। সৈয়দ মুহাম্মদ মনছুরুর রহমান। আবু নাসের মুহাম্মদ তৈয়ব আলী

প্রকাশকাল।

: ১ জিলক্বদ ১৪৩৩ হিজরী সেপ্টেম্বর ২০১২ খৃষ্টাব্দ

কম্পােজ

: মুহাম্মদ ইকবাল উদ্দীন

হাদিয়া

: দুইশ পঞ্চাশ টাকা মাত্র

প্রকাশনায় আন্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট) ৩২১, দিদার মার্কেট (২য় তলা) দেওয়ান বাজার, চট্টগ্রাম-৪০০০,

| বাংলাদেশ । ফোন : ০৩১-২৮৫৫৯৭৬, e-mail :anjumantrust@yahoo.com, anjumantrust@gmail.com,

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

ভূমিকা ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। মানুষের সামগ্রিক জীবনের উপর এ বিধান কার্যকর করাই ইসলামের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এতে আছে মানুষের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সকল দিক ও নির্দেশনা সুষ্ঠু সমাধান। আর মৃত্যুর পর অনন্তকালীন জীবনের সুখ-শান্তি লাভের উপায়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের এ যুগে এমন কোন বিষয় পাওয়া যাবে না যার নিখুঁত ও সুন্দর সমাধান ইসলাম পেশ করেনি। কুরআন, হাদীস, ইজমা ও কিয়াসইসলামের চতুষ্ঠয় দলিলের আলােকে যুগ সমস্যার সমাধানে প্রত্যেক যুগের ইমাম, মুজতাহিদ, ও ফকিগণের নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন ও যাচ্ছেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফলে ইসলামী ফিকাহ্ শাস্ত্রের যে বিশাল ইমারত গড়ে উঠেছে তা অনুসন্ধান ও গবেষণা করলে যুগ সমস্যার যে কোন সমাধান পাওয়া দুষ্কর নয়। তাই তাকলীদের যুগ প্রবর্তিত হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক যুগের ইমাম ও ফকিহগণের হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী ও হাম্বলী মাযহাব চতুষ্টয়ের যে কোন একটির অধীন থেকে স্ব-স্ব যুগের সৃষ্ট সমস্যার সমাধান দিয়ে আসছেন। বর্তমান পুস্তকটিতে যুগের কতিপয় জরুরি বিষয়ে জিজ্ঞাসার জবাব দেওয়া হয়েছে- যা দীর্ঘদিন হতে মাসিক তরজুমান এ আহলে সুন্নাত এর প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রকাশিত হয়ে আসছিল। এখানে কিছু বিরােধপূর্ণ প্রশ্নের প্রমাণাদি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যাতে সাধারণ পাঠকরা দলিল প্রমাণের মারপ্যাচে পড়ে আসল মাসআলা বুঝতে অসুবিধায় না পড়ে সে দিকে লক্ষ্য রেখে প্রায় প্রশ্নের উত্তরে শুধু হাওলা বা সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। তরজুমানের পাঠক মহলের একান্ত দাবি ছিল এসব প্রশ্নোত্তর গ্রন্থাকারে যেন প্রকাশ করা হয়। নানা কর্মব্যস্ততায় সময় ও সুযােগ না হওয়ায় প্রশ্নোত্তরের বিপুল সম্ভার বই আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মুদ্রণজনিত বা তথ্যগত কোন প্রমাদ থেকে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। কোন পাঠকের চোখে কোন ভুল বিচ্যুতি ধরা পড়লে আমাদেরকে জানিয়ে বাধিত করবেন। পরবর্তী সংস্করণে তা সংশােধন করা হবে।

উৎসর্গ রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরীকত মুর্শেদে বরহক

আওলাদে রাসূল, গাউসে জমান হ্যরত সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি রাহমাতুল্লাহি আলায়হি

হযরত সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ রাহমাতুল্লাহি আলায়হি

পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশে

সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান

যুগ জিজ্ঞাসা

|ur । Trrnrnrnrnrnrnr।।

যুগ জিজ্ঞাসা

ধর্মের নাম ভাঙ্গিয়ে রাজনীতি করা প্রসঙ্গে. ও মাযারে মােমবাতি জ্বালিয়ে রাখা সিজদা করা ও অন্যান্য কর্মপদ্ধতি প্রসঙ্গে ....... ঔ গাউসুল আযম, হাজত রওয়া, মুশকিল কুশা এ শব্দগুলাের অর্থ...... ঔ মুরব্বীদেরকে পা ছুঁয়ে সালাম করার বিষয়ে... ঔ ধর্ম নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে, ঔ ‘মাওলানা শব্দের অর্থ....... ৫ মুসলমানদের নামের পূর্বে ‘মুহাম্মদ' ব্যবহার নিয়ে.......

যাদু-টোনার ব্যবহার..

......................................... ঐ মসজিদের ইমাম প্রসঙ্গে.... ও পবিত্র কোরআন'র অর্থ বুঝা ও অন্য ভাষায় লিখিত কোরআন পড়া নিয়ে...... ৩২ ঔ “ইয়া নবী সালাম আলায়কা..." এ ধরনের দরূদ-সালাম পড়া প্রসঙ্গে.......... ঔ হুজুরে আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘নজুদ' এর জন্য দু'আ করেননি। ৩৪ | শয়তানের শিং এর অনুসারীদের পেছনে নামায আদায় করা প্রসঙ্গে.................

ঔ বায়'আতে শায়খ ও বায়'আতে রসূল এর আলােচনা.... ঐ ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত' শব্দের আলােচনা... ৫ যমযম কূপের পানি দাঁড়িয়ে পান করা প্রসঙ্গে... ৫ ওহাবীদের পেছনে নামায আদায় প্রসঙ্গে......................

............. ৫ পবিত্র হাদীসের কিতাব ছহি বুখারী শরীফ তিলাওয়াত প্রসঙ্গে.............. ঔ পীর বা ওলী-বুযুর্গের কবর বা মাযারে গমন প্রসঙ্গে...

৪২ ঔ কোরআন ও সুন্নাহর আলােকে কদমবুচি করা প্রসঙ্গে.... ৫ মানুষের ললাটে দু'টো কালাে দাগের চিহ্ন প্রসঙ্গে............................ ঐ পীর-মুর্শিদের ছবি চুম্বন করা এবং ঘরে রাখা প্রসঙ্গে............................... তু ভিন্ন ধর্মের লােকের সাথে কি রকম সম্পর্ক থাকা উচিত.. ও পীর-আউলিয়া কেরামের মাযার শরীফের ছবিকে স্পর্শ করে সম্মান করা ৪৭

শরীয়তের দৃষ্টিতে.. ৫ ঢােল, তবলা, হারমােনিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে আউলিয়া-ই ৪৮

কিরামের শান বর্ণনা প্রসঙ্গে..... ৩ সূরা হাককাহ এর ৪৩-৪৯ নম্বর আয়াতের বিস্তারিত বর্ণনা......

......... ঔ মু'তাযিলা কারা? তাদের মতবাদ কি? মু'তাযিলা সম্প্রদায়ের উৎপত্তি ও ৫১

সূচিক্রম ঐ মিলাদুন্নবী ও সিরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম.... ৫ কোরআন-হাদীসের আলােকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পরিচিতি... * “রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সৃষ্টি না হলে আল্লাহ্ তাআলা

আসমান-জমিন সৃষ্টি করতেন না” কোরআন ও হাদীসের আলােকে............ ঐ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি নূরের সৃষ্টি?. ঔ ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কাদিয়ানীদের শাস্তি কি? কাদিয়ানীদের প্রতিষ্ঠাতা কে?... ঔ ইলিয়াসী তাবলিগের তৎপরতা প্রসঙ্গে.. ও পবিত্র হজ ও বিশ্ব ইজতেমা প্রসঙ্গে............... ও আল্লাহ পাক হযরত আদম আলাইহিস সালামকে সাজদা করার জন্য

ফেরেশতাদের নির্দেশ এর ব্যাখ্যা................ ৫ নবী-রসূল, পীর-মাশায়েখ ও পিতা-মাতাকে সম্মানার্থে সিজদা করা প্রসঙ্গে.... ঐ আমাদের এই উপমহাদেশের মধ্যে কোন নবী-রসূল এর আগমন প্রসঙ্গে... ও আবু হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণিত হাদীস সংখ্যা বেশী কেন?......... ঐ গায়েবানা জানাযা জায়েয হবে কিনা? ........... ঔ মুর্দাকে কবরে দাফন করার পর কবর তালকীন করা............ * হযরত আলী রদিয়াল্লাহু আনহুর প্রকৃত মাযার শরীফ.... ও মুর্দার রূহের শাফায়াতের জন্য কোন তারিখে জেয়াফত করা উচিত, ৫ ওহাবীদের সাথে সুন্নী আক্বীদার লােকের আত্মীয়তা করা প্রসঙ্গে, ঐ তবলীগ জামাতের ছিল্লা প্রসঙ্গে . ও মসজিদ কমিটি ওহাবী-তাবলীগী এবং সুন্নী আলােচনা প্রসঙ্গে... ৫ হাশরের ময়দানে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুপারিশ.......... $ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র রওজা মােবারকে প্রবেশ..... * মুসলমানের জন্য আধুনিক সমরাস্ত্র তৈরি করা প্রয়ােজন কিনা, ঐ খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, দুআ-মুনাজাত করে টাকা নেয়া.............

= = = = = =

৩৭

৪০

৪৩

৪৫

৪৬

। ।

। ।

= = =

=

। । ।

২০-২১

।।

= = = = = =

= = =

.........

যুগ জিজ্ঞাসা

ক্রমবিকাশ.. ৫ হযরত খিজির আলাইহিস সালাম এবং সংক্ষিপ্ত পরিচয়........ ঐ ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ’ বললে বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করা শরীয়তের ৫৩

দৃষ্টিতে জায়েয কিনা?................ ঔ মুসলমান ছাড়া অন্যান্য ধর্মের লােকদেরকে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ৫৫ | ওয়াসাল্লাম'র উম্মত বলা যাবে কি?.. ৫ কাদিয়ানীদেরকে কেন কাফির বলা হয়?........ ঔ মুসলমানের ভিতর এত দল-উপদল কেন?...... ৫ মুজাদ্দিদ কাকে বলে এবং মুজাদ্দিদের লক্ষ্য ও নিদর্শনাবলী কী?........ ৫ আমাদের নবী নুরের তৈরি-এ সম্পর্কে কোরআন হাদিসের আলােকে দলিল... ঐ ইমাম মাহদী নবী না হলেও তার নামে ‘আলায়হিস সালাম ব্যবহার করার ৫৮

কারণ কি?.. * ‘মুজাদ্দিদ' কাকে বলে? বর্তমান শতাব্দী পর্যন্ত মুজাদ্দিদগণের সঠিক তালিকা... ঐ হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম’র জন্য ‘রহমাতুল্লিল আলামীন’ us

খাস নয়। রশীদ আহমদ গাঙ্গুহীর উক্ত উক্তির জওয়াব...

............ ৬২ ঐ রাতসমূহের মধ্যে কোন রাত এবং দিনসমূহের মধ্যে কোন দিন সর্বোত্তম?.. * রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম'র পিঠ মুবারকে যে ‘মােহরে

নুকূয়াত ছিল তা কি নুবুয়াত প্রকাশের পূর্ব থেকেও ছিল? এতে কী লেখা ছিল? ৬৪

কোন, সৌভাগ্যবান সাহাবী সর্বপ্রথম মােহরে নবুয়াত দেখেছিলেন? .............. ৬৯ * রসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর ইলমে গায়েব.. ................ ৫ নবী করীম সাল্লাল্লাহু তাআলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে ‘ইয়া মুহাম্মদ ইয়া

আহমদ “ইয়া নবী’ ‘ইয়া রসূল’ ‘ইয়া হাবীব' ইত্যাদি বলে সম্বােধন করে us

ডাকা প্রসঙ্গে.... ৫ “তরানে ওয়ালা ও বাঁচানে ওয়ালা' এর ব্যাখ্যা.......... ঐ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে হযরত, জনাব,

ইমাম, নেতা বলে সম্বােধনে শরীয়তের ফয়সালা.. ৫ বার আউলিয়া কে কে? তাদের মাযার মুবারক কোথায় অবস্থিত.................. * কোরআন হাদিসের আলােকে শবে বরাত পালন। কোরআন মজিদে au,

আইয়্যামূল্লাহ্ বাক্য প্রসঙ্গে...

যুগ জিজ্ঞাসা ৫ রসূল সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে আমাদের মত মানুষ বলা | যাবে কিনা?

ঔ ‘আল্লাহু রব্বী’-‘মুহাম্মদ নবী' বলার শরঈ বিধান.. ঔ কবরে কিয়াম করা জায়েয আছে কিনা এবং কোরআন-সুন্নাহর আলােকে | মিলাদ-কিয়ামের গুরুত্ব........

... ... * ক ন ন + ৭৯ ঔ প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে

অবমাননার শাস্তি,

.........••••••• ৮০ ২ ওহাবী কি ও কারা? তারা কি ঈমানদার?................. .................. ৮২ * হযরত ঈসা আলায়হিস সালাম জীবিত আছেন, এ বিষয়ে চার মাযহাবের

ইমামগণের ঐকমত্য আছে কি?................

................ ৮২ ঐ আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর জন্ম না

হলে মহাবিশ্বে কোন কিছুই সৃষ্টি হতাে না-এর ব্যাখ্যা. ৫ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম সর্বত্র হাজির-নাযির.. ৫ কোরআন-হাদিসের আলােকে মিলাদ-কিয়াম..

কোরআন অবমাননাকারী ব্যক্তিকে কী বলা হয়..................

৮৮ ঔ কোরআন-হাদিসের আলােকে সাজদা করার বিধান.... .................... ঐ ওরস শরীফে মানত করে গরু, মহিষ দেয়ার বিধান....... ও যাদের পীর-মুর্শিদ নেই, তাদের পীর শয়তান, এ প্রসঙ্গে আলােচনা........ ঐ সাহাবা-এ কেরামের সাথে বর্তমান যুগের কোন দল বা লােকের সাথে তুলনা

করা যুক্তিঙ্গত এবং শরীয়তসম্মত?

........... ৯৩ $ সূরা আ'রাফের ১৪২ নম্বর আয়াতের শানে নুযূল.. ............ ঔ রসূল পরের কল্যাণ তাে দূরের কথা নিজের কল্যাণও করতে অক্ষম এ বক্তব্য | প্রসঙ্গে...

................ ৯৪ ও কাদিয়ানী আকীদা প্রসঙ্গে, ৫ আউলিয়া-এ কেরামের মাযার শরীফে ফুল দেওয়া জায়েয আছে কিনা.. ৯৭ * কবরে শায়িত আল্লাহর কোন ওলী বা নবী-রসূল দুনিয়ার মানুষের কোন

উপকার...

••••••••••••••••• ১০১ ও কোন নেককার কবরবাসীর ওসীলায় তাঁর পাশের কবরবাসীর আযাব মাফ হয়

৮৭

=

= = =

=

n ru

n

.

.

. .

=

= =

= = = = =

= =

= = = = = = =

• • • •

৯৪

=

=

= = = =

=

=

= = =

= = =

=

। ।

.

.

.

.।।

।।

। ।

। । ।

। ।

। ।

। ।।

।।

।।

। ।

••••••••••••• ৭৪

.... ১০৫

যুগ জিজ্ঞাসা

কিনা বা আল্লাহ ক্ষমা করেন কি না?......

১০৩ ও মাযারে নযরানা বা উপহার হিসেবে টাকা দেওয়া প্রসঙ্গে......

••••••••••••...... •••• ১০৪ ঔ মাযারে শায়িত অলি আল্লাহর নামে মান্নত করা প্রসঙ্গে..

১০৫ * পিতামাতা বা আউলিয়া-এ কেরামের কবর শরীফ হাত দিয়ে সালাম করা ও

চুমু খাওয়া জায়েয কিনা?....... ঐ হুজুর শব্দ ব্যবহার ও প্রয়ােগ নামের পূর্বে মুহাম্মদ শব্দটি ব্যবহার প্রসঙ্গে....... ১০৯ ঐ আল্লাহতা'আলাকে খােদা নামে ডাকা প্রসঙ্গে..........

............ ও কোন ব্যক্তি যদি তার সম্পদের অংশ থেকে মেয়েদের বাদ দিয়ে তা ছেলেদের

দিয়ে দেয় ওই ব্যক্তির ব্যাপারে শরীয়তের ফয়সালা কি?.......................... ১১০ ঐ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম লেখার সময় দুরুদ শরীফ।

সংক্ষেপে লেখা....

•••••••••••••••• ১১১ * মাথা মুণ্ডানাে প্রসঙ্গে আলােচনা.... * পায়ে জুতা পরা অথবা পায়ের নিচে রেখে জানাযার নামায আদায় করা

প্রসঙ্গে......

যুগ জিজ্ঞাসা ৫ আল্লাহর প্রিয় নবী রসূলে আকরম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম'র বৈশিষ্ট্য.... ১২৭ ৫ মুর্শিদ কিভাবে বাঁচাতে পারেন ও তরাতে পারেন? কোরআন-সুন্নাহর

আলােকে, ঔ রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের মাতা পিতার ইসলাম গ্রহণ | সম্পর্কে বর্ণনা...........

৩ বাতিল আকৃীদাপন্থী তথা ওহাবী-মওদূদীর পেছনে জামাআত সহকারে নামায

আদায় করা প্রসঙ্গে.......

............... ১৩০ ৫ ওলীগণের মাযারে যাওয়ার বিষয়ে আলােচনা.....

• ১৩০ ৫ জামাতে ইমামের সূরা ফাতেহা পাঠ শেষে মুক্তাদির উচ্চস্বরে 'আমীন' বলা | যাবে কিনা.......

.................. ১৩১ ঐ অজু ছাড়া আযান দেয়ার শরয়ী হুকুম কি? নাবালেগ আযান দিতে পারবে কিনা?... ১৩২ ঔ মসজিদের ইমাম সাহেবের পেছনে কে দাঁড়ানাে উপযুক্ত?........... ঔ শুক্রবার জুমার নামাযের সময় জানাযা আসলে জানাযার নামায পড়ার | বিধান....

••••••• ১৩৩ ও বিবাহিত ইমামের পেছনে এবং অবিবাহিত ইমামের পেছনে নামায পড়ার | বিষয়ে মতামত...

১৩৪ ৫ জুমার নামাজে কতিপয় জরুরি বিষয়.. ৩ চার রাকাত নামায ভুলবশত পাঁচ রাকাত পড়লে কি করতে হবে?............... ১৩৫ ও লঞ্চ, নৌকা, চলন্ত ট্রেন বা বাসে নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেলে নামায আদায়

করতে হবে কিনা?.........

... ১৩৬ & তাকবীরে তাহরীমার পর হাত বেঁধে সানা পড়ার পূর্বে তা‘আওউয কিংবা

তাসমিয়া পড়তে হবে কিনা?..

... ১৩৭ ঔ তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় পুরুষেরা কাঁধ বরাবর বৃদ্ধ আঙ্গুল উঠিয়ে এরপর কেউ নাভী বরাবর হাত নামিয়ে নাভীর উপর হাত বাঁধে। এ মাসয়ালার

.. ১৩৮ ঐ আযান ও ইকামতের উত্তর দেয়া প্রসঙ্গে আলােচনা.....

... ১৩৮ ঔ ফজর ও আসরের জামাতের পর সূরা হাশরের শেষাংশ তিলাওয়াতের পূর্বে।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম বলা যাবে কিনা?...............

•••••••••••••• ১৩৯ ঐ বিতরের দ্বিতীয় রাকাতে তাশাহুদ, দরূদ ও দুআয়ে মাছুরা পড়ে উভয় দিকে

............

১১৪

.... ১৩৪

ঐ রাসূলে পাক এর রওজা মােবারক যিয়ারত...

...........•••• * বিদআত এর প্রকারভেদ..... ৫ মুবারক শব্দ ব্যবহারিক প্রয়ােগ..

১১৬ ৫ আবদুর রসুল, আব্দুন নবী, আবদুর রহমান এবং আব্দুল আলী

নামকরণ করা যাবে কিনা?.. ঐ যে ব্যক্তি একবার কালেমা পড়েছে সে কখনও আর কাফের বা মুরতাদ হয় না

এ ব্যাপারে কোরআন হাদিসের বিশদ ব্যাখ্যা.. * বর্তমান প্রচলিত তাবলীগ জামাতের বদ আকিদা কি কি এবং এই বদ

| আকিদাগুলাের বিস্তারিত আলােচনা.. ও জীবিত বা মৃত পীরের ছুরত হাজির নাজির জেনে ধ্যান বা মােরাকাবা করা... ১১০ ঐ মুনাজাত সম্পর্কে আলােচনা... * কোরআন-হাদীস ও ইলমে তাসাউফের আলােকে ‘শরীয়ত’, ‘তরীকৃত,

“মা'রিফাত’ ও ‘হাকীকৃত' সংজ্ঞা ও পরিচিতি......

...........

১২৬ * মুসলমান ও কাফিরদের মধ্যে পার্থক্য কি?...............

বর্ণনা..

েিলাচনা........................... •••••••

...........

=

.

.

.

.

.

।।।

১২৭

10

.......... ১৫৯

=

= = =

=

.

.

.

.

.

..

..

.

..

.

..।

••••••• ১৫৯

যুগ জিজ্ঞাসা

সালাম ফিরান্তে মনে পড়লে তখন নামায আদায় হয়ে যাবে কিনা?............... ১৩৯ ৫ একাগ্রচিত্তে কিভাবে নামায আদায় করা যায়......

= ১৪g ৫ জুমার নামায কি একা একা আদায় যায়? জামাত তরক করলে (বিনা ওজরে)।

কঠিন গুনাহর সম্মুখীন হতে হবে বিস্তারিত আলােচনা?..........

•""' ১৪২ ও ইমাম সাহেব অনুপস্থিত থাকার কারণে নামায আদায়কারী এক হাফেজ পুনঃ

ইমামতি করলে সবার নামায শুদ্ধ হবে কি?......

... ১৪৩ ঐ নামাযরত অবস্থায় ছােট বাচ্চা জায়নামাযে বসালে অথবা পিটে চড়লে তাকে

সরিয়ে দিলে নামায় ভেঙ্গে যাবে কি?............

• ১৪৩ * অসুস্থ ব্যক্তি তায়াম্মুম করে নামায আদায় ও ফরজ গােসল প্রসঙ্গে.............. ও সুদখােরের পেছনে নামায আদায় করলে নামায আদায় হবে কি?................ ১৪৫ ও নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার নিষেধ বিষয়ে..

১৪৫ $ মাগরীব নামাযের আযানের পর ৫/৭ মিনিট দেরি করে নামায আদায় করা যায় কি?... ১৪৬ ও ইশরাকের নামায এবং আওয়াবীনের নামায কত বছর হলে পড়া যাবে?........

| ১৪ ৭। ঐ নামাযরত অবস্থায় বায়ু বের হলে নামায হবে কি?....

.............

•••• ১৪৭ * নামাযের রুকু করার সঠিক নিয়ম কি....

১৪৮ ঐ নামাযরত অবস্থায় হাঁচি আসলে করুণীয় কি?.........

যােহর ও আসর নামাযের মধ্যে ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পড়া; ফজর,

মাগরীব ও ইশার নামাযে উচ্চঃস্বরে ‘আ-মীন' বলা; সমীচীন কিনা.............. ১৪৯ ও অজু করার সময় কি পরিমাণ পানি ব্যবহার করা উচিত?.... ৫ নামাযের মধ্যে যদি কোন রকম খারাপ খেয়াল আসে নামায কি নষ্ট হয়ে যাবে?... ১৫০ ঐ গায়েবানা জানাযা জায়েয কিনা......

১৫১ ৫ মুসাফির ও কসর নামাযের বিবরণ........... ও তারাবীহ নামাযের সম্পূর্ণ ২০ রাকাত জামাতে অংশ নিতে না পারলে

করণীয় কি?................

• • • • • ••• ১৫৪ ঐ যে কোন নামাযে নামাযের নিয়্যত না পড়ে, শুধু আল্লাহু আকবার বলে শুরু

করলে নামায শুদ্ধ হবে কিনা?..

••••••••••••

১৫৫ ঐ জামাত শুরু হওয়ার পর আগত মুসল্লী কোন দিকে দাঁড়াবে?..

৩ জুমার খােতবার আগে ইমাম সাহেবের ওয়াজ করার সময় সুন্নাত নামাজ পড়া......... ৯৯

যুগ জিজ্ঞাসা ঔ জামাতের ওয়াক্ত হয়ে গেছে, এ অবস্থায় সুন্নাত নামাজ পড়া প্রসঙ্গে............ ১৫৭ ঔ এশরাক নামাযের সময় সূর্যোদয় হতে কতক্ষণ সময় পর্যন্ত স্থায়ী থাকে.......... ১৫৭ ঐ কোন নামাযী যদি দুই রাক'আতে সূরা ফাতিহা মিলানাের পর অন্য সূরা না।

মিলিয়ে রুকুতে চলে যায়, তাহলে নামায হবে কি?... ঐ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের আগে তাহিয়্যাতুল ওজুর নামায পড়তে হয় কিনা?........ ১৫৮ ঔ ফজরের নামায সকাল কয়টা পর্যন্ত কাজা পড়া যায়?..... ৩ নামাজ পড়া অবস্থায় কোন প্রিয় মানুষের কথা মনে পড়লে নামাজের কোন | অসুবিধা হবে কিনা?......

ঐ প্রায় মানুষ নামাযের নিয়্যত করার পূর্বে পরনের প্যান্ট বা পাজামা টাকনুর উপরে | ভাঁজ করে নামায আদায় করে। এ বিষয়ে শরীয়তের দৃষ্টিতে আলােচনা.............. ১৬০

ঔ কোন ঈদগাহ বা মসজিদের মাঠে ছাদ জমানাে হলে এর ভিতরে জানাযার

নামায পড়া যাবে কিনা?..............

•••• • • • • • • • • • • • ১৬২ ঔ জুমার নামাযে ২য় খােতবায় মুনাজাতসুলভ বয়ান আসলে কতেক মুসল্লী ‘আমীন,

আমীন' বলে। আমাদের মাযহাব হানাফী অনুযায়ী জায়েয আছে কিনা?.............. ১৬৩ ৫ জুমার দিন দূরবর্তী কোন স্থানে যাত্রা করা সময় পথিমধ্যে মসজিদ না পাওয়ায়

উপযুক্ত ইমাম থাকলে জুমার সানী জামাআত করা যাবে কিনা?.. ................. ১৬৪ ও ইশার নামাযের পর বিতর পড়লে তাহাজ্জুদ নামাযের পর পুনরায় বিতর পড়া

যাবে কি..........................

• ১৬৪ ঔ নামাযরত অবস্থায় কোন কারণ বশত গলা হাঁকার দিলে নামায ভঙ্গ হবে কি?... ১৬৫ ঔ যে কোন নামাযের ওয়াজিব বাদ পড়লে সাহু সাজদা দিতে হয়। কিন্তু শেষ রাকআতেও

যদি ভুলক্রমে সাহু সাজদা দেয়া না হয় তাহলে কি নামায শুদ্ধ হবে...

.................. ১৬৫ ঐ ফরয, ওয়াজিব নামায় বসে পড়লে আদায় হবে কি.... ঔ একাকী নামায আদায়কারীর চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাযে প্রথম তিন

রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলিয়ে, সাহু সাজদা দিতে হবে।

.............

...

১৪৮

....... ১৪৯

ক।

••••••••••

১৬৫

কিনা?....

ঐ ‘সিলসিলাহ-এ কাদেরিয়া আলিয়ার শাজরা শরীফ অনুযায়ী মাগরিবের নামাযের ফরজ ও দুই রাকআত সুন্নাত আদায় করে ৬ রাকআত সালাতুল আওয়াবীন আদায় করতে হয়। অনুরূপভাবে এশার নামাযের ফরজ ও দুই

11

12

• ১৬৭

-

১৬৮

... ১৭৮

যুগ জিজ্ঞাসা

রাকআত সুন্নাত আদায়ের পর সালাতে কাশফুল আসরার আদায় করতে হয়। প্রশ্ন হল- এ অবস্থায় মাগরিবের সুন্নাতের পর দুই রাকআত নফল ও এশার

দুই রাকআতের পর দুই রাকআত নফল নামায কখন পড়তে হবে?............ ১৬৬ * এশার নামাযের সময় লাশ আনা হলে তার জানাজার নামাযের বিধান কি...... ১৬৭ ঐ নামায়ে সালাম ফিরানাের পর মাথায় হাত দেয়া শরীয়ত মােতাবেক জায়েয

কিনা? .......... ৫ এশার নামাযের পর বিতর নামায না পড়লে অথবা বিতর নামাযের মধ্যে দুআ

কুনূত জানা না থাকলে করণীয় কি.. ৫ জামাতের সময় ইক্বামত দেয়ার লােক না থাকলে শরিয়তের ফায়সালা......... ১৬৯ ৫ মাগরিবের নামাযের সময় মুসল্লি না থাকলে ইমামের করণীয়.................... ১৬৯ ঐ ওযু করে নির্জনে সতর খুললে আবার ওযু করতে হবে কি না?................... ১৬৯ ঔ ফজরের ফরয নামাযের পর সূর্যোদয়ের প্রায় ২০মিনিট সময় পর্যন্ত কোন

নামায পড়া নিষেধ। এ সময় জানাযা পড়া জায়েয হবে কি?...................... ১৭০ ঔ নামাযের সময় ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল যদি তার স্থান থেকে সরে যায় তবে নামায

শুদ্ধ হবে কি? .............

•••••••••••••••• ১৭০ ৫ জুমা বা পাঁচ ওয়াক্তের নামায পড়ার সময় মাইক অথবা সাউন্ড বক্স ব্যবহার

করে নামায আদায় করা হয়। কিন্তু হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে ইমামের আওয়াজ শুনা না গেলে মুক্তাদীরা কি করবে?........

• • ••••••••••••••• ১৭০ ৫ লাউড স্পিকারে নামায পড়া জায়েয আছে কিনা....

••••••••••••••• ১৭১ ৩ আসর ও মাগরিবের নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে কোন নামায পড়া যাবে কিনা?.. ১৭২ ৫ জুমু'আর খােতবা প্রদানকালে লাঠি ব্যবহার করা জায়েয কিনা?...

••••• ১৭২ ৫ জুমার মসজিদের ইমাম হওয়ার জন্য শর্ত কি কি?... * জুমার খােতবা দেয়ার সময় দ্বিতীয় মিম্বরে দাঁড়িয়ে খােতবা দেওয়া সুন্নাত না

ওয়াজিব?..

..... ১৭৪ * জুমা এবং পাঞ্জেগানা মসজিদের আযান মসজিদের বাইরে উঁচু জায়গায় আযান

দেওয়া প্রসঙ্গে...

১৭৪ ৫ নামাযে সূরা মিলাতে গিয়ে কিছু অংশ পড়ার পর ভুলে গেলে করণীয় কি?...... ১৭৪ ঐ দাঁড়িয়ে ও বসে নামায পড়ার মধ্যে পার্থক্য কি?..

যুগ জিজ্ঞাসা ৫ ওজু করার সময় প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার ধৌত করতে হয় ভুলক্রমে একটি হাত

দু’বার ধৌত করলে করণীয় কি?...

.. ১৭৫ ঔ যােহর-আসর ব্যতীত ফজর, মাগরিব, ইশা ও জুমুআর নামাযের জামাআতে | উচ্চ কণ্ঠে কিরআত পড়ার কারণ কি..

• ১৭৬ ঔ নামাযে কিরআতার মধ্যে কিংবা দুরূদ শরীফে যখন ‘মুহাম্মদ' শব্দ পড়ে কেউ | যদি দুরূদ শরীফ পড়ে ফেলে, তাহলে নামায হবে কি?............................ ১৭৬ ঔ নামাযে রত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াত বিষয়ে আলােকপাত..................

১৭৭ $ ইক্বামতের কোন বাক্য উচ্চারণের পর জামাআতের জন্য দাঁড়াতে হবে?.......

২ .•••••• ১৭৭ ঐ নামাযের নিয়্যত মুখে বলা কি আবশ্যক আলােচনা.... ঔ বা'দাল জুমা'আহর পর চার রাক'আত আখেরী যােহর পড়া ওয়াজিব কিনা?... ১৭৮ ও কোরআন বা হাদীসে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুমুআর নামাযের নিয়্যত কি রকম

বর্ণনা দেওয়া আছে?...................

ক. ১৮০ ঐ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বাতেল ইমামের পেছনে নামায আদায় করলে এ নামায় | কি পুনরায় আদায় করে নিতে হবে?......

১৮০ ঔ প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া নাই এমন ব্যক্তির পিছনে নামাজ পড়া প্রসংগে.......... ১৮১ ঔ নামাযে রুকু-সাজদার তাসবীহ একবার পড়লে আদায় হবে কি?................

১৮১ ও নামাজের ওয়াজিব তরক করে এমন ইমামের পেছনে নামাজ হবে কি না? .... ১৮২ ঐ নামাযরত অবস্থায় শরীর চুলকানাে যাবে কি...

•••• ১৮৩ ঔ নামাযের বৈঠকে তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) পড়ার সময় শাহাদাত আঙ্গুল একটু

উপরে তােলা প্রসঙ্গে...

••••••• ১৮৩ ও জুমুআর দিন মসজিদে খােতবার সময় টাকা তােলা উচিত কিনা.................

১৮৫ ৫ ওজু করার পর ঘন ঘন বায়ু আসলে করণীয় কি.. ৫ জামা'আত সহকারে সালাতুত তাসবীহ ও তাহাজ্জুদ নামায পড়া যায় কিনা?.... ১৮৫ ও নিজের ঘরের পাশের মসজিদ ছেড়ে অন্য মসজিদে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গে. ১৮৭ ৫ জুমুআর দ্বিতীয় আযানের উত্তর দেয়া এবং পরে আযানের দুআ পড়া প্রসঙ্গে

আলােচনা.....

.............. ঐ কাজা নামাজ আদায় করার নিয়ম কি.................. ৩ সাজদায়ে সাহু দেয়ার নিয়ম কি ও ক’টি দিতে হয়?.......

........... ১৮৬

......................... .

* ১৭৩

১৭৩

....••••••

১৭৫

13

14

২২৩

.............

১৪

=

২৩৭

২৩১

যুগ জিজ্ঞাসা

৫ ইক্বামতে “হাইয়্যা আলাল ফালাহ’-বলার পর দাঁড়ানাের বিষয়ে আলােচনা...... ৫ নামাযে দু'পায়ের মাঝখানে কি পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়াতে হয়................ ৫ সেণ্ডেলের উপর দাড়িয়ে ওজু করা প্রসঙ্গে..... ৫ শুক্রবার মহিলাগণ যােহরের নামায পড়া প্রসঙ্গে........... ৫ মসজিদে জামায়াতের সময় কোন কাতারে দাঁড়ালে ফযিলত বেশি.............. ২০৪ ৫ ফজরের আযানের পর এবং সুবহে সাদিকের আগে যদি খাবার খায় তাহলে

রােজা রাখা সঠিক হবে?..

••••••••••••••• ২০৪ গু সিজদায় নামাযীর পায়ে আঙ্গুলগুলাের ব্যবহার বিধি.

••••••••••••• ২০৫ & খােতবার আযান প্রকৃতপক্ষে মসজিদের ভিতরে না বাইরে?.....

২০৬ $ সারাদিন কাজের ঝামেলায় নামায আদায় করতে না পারলে রাতে সব

ওয়াকৃতের নামায কাযা আদায় করলে হবে কিনা....

২০৬ সালাতুত তাসবীহ নামাজ পড়ার নিয়ম.....

............. $ ১২ রবিউল আওয়াল (ঈদে মিলাদুন্নবী) রােযা রাখা প্রসঙ্গে............... ... ২০৯ * পূর্ণ এক মাস রােযা রাখার জন্য ট্যাবলেট খেয়ে মহিলাদের ঋতুস্রাব বন্ধ রাখা

যাবে কিনা..

•••••••••... ২১০ ঐ বােরকা পরিধান করা ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত নাকি মুস্তাহাব?........

................. ২১০ ঐ রােজা রাখা অবস্থায় গান শুনা, গীবত করা, জুয়া খেলা, ঝগড়া, গালি-গালাজ | ইত্যাদি প্রসঙ্গে আলােচনা...........

* রমজানে শেষ দশদিন মসজিদে ই'তিকাফ থাকা.. ঐ খতমে তারাবিহ না পড়লে কি কোন ক্ষতি হবে?... •••••••••••••••••••••• ২১২ গু খতমে তারাবিহ্ পূর্ণ আদায় প্রসঙ্গে......

...........

•••••••••••••••••••••••••••••• ২১৩ ঐ যে ব্যক্তি রােযা রাখেনি তার উপর সাক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব কিনা?...........। ৫ মসজিদে ইফতার মাহফিল করা যাবে কিনা?....... ৫ বদআকীদার হাফেয সাহেব ও অন্ধ ব্যক্তির পেছনে নামাযের ইকৃতিদা করা।

যাবে কিনা....... ঐ তারাবীহ নামাযে সাহু সাজদা আছে কি? থাকলে না দিলে কি হবে?............. * বিতরের নামায শবে বরাতের রাতে জামাআতে পড়া যাবে কিনা?.............. ২১৬ * ই'তিকাফরত অবস্থায় ফরয গােসল ব্যতীত প্রত্যহ গােসল করার জন্য মসজিদ।

থেকে বের হতে পারবে কিনা?...

.... ২২১

যুগ জিজ্ঞাসা ঐ রমজান মাসে রােজা থাকা অবস্থায় কোন ব্যক্তি যদি অপবিত্র হয় তাহলে এই

ব্যক্তির করণীয় কি?.

••• ২২২ * রমজান মাসে কবর আজাব প্রসঙ্গে..

শাফেঈ ইমামের পেছনে বিতর নামাজ জামাতে পড়া প্রসঙ্গে.. ............ | ২২৩ ও স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার যাকাতের নিসাব পরিমাণ হলে ওই স্বর্ণের যাকাত স্ত্রীকে দিতে

হবে নাকি স্বামীই দেবে?.......

•••••••••••... ২২৪ ঐ সৎদাদী, সৎমা, সৎসন্তানকে যাকাত প্রদান করা যায় কি না?.. ও ঋণগ্রস্ত ও মুসাফির ব্যক্তির নেসাবের অধিক পরিমাণ সম্পদ থাকে তাকেও কি | যাকাত প্রদান করা যাবে?.....

.................. ২২৫ ঔ হজের মধ্যে অনেক ছােট ছেলে-মেয়েরা যায়। তাদের হজ হবে কিনা? আর

কত বছর বয়সে হজ্ব করা যায়....

২২৭ ঔ মহিলাদের হজ্বব্রত পালনের বিধান কি?....... ঔ কোরবানীর মাংস বিধর্মীদের খাওয়ানাে জায়েয হবে কি?........ ৫ কোরবান উপলক্ষে কনে পক্ষ বরপক্ষকে যে পশু দেয় তা কি বরপক্ষ ব্যক্তিগত

কাজে ব্যবহার করতে পারবে?

•••••••••••• ২৩২ ৩ কোরবানির মাংস কত দিন পর্যন্ত খাওয়া জায়েয....... ঔ ১টা গরুর মধ্যে আক্বীকৃার জন্য ক’জন ছেলের নাম দেওয়া যায়? কোরবানীর

পশুর সাথে আক্বীকা জায়েজ কি না?

...... ২৩২ ঔ কোরবানীর পশুর চামড়া বিক্রি করে ওই বিক্রিত টাকা মসজিদ, মাদরাসার | নির্মাণ বা উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করা যাবে কিনা?.........

ঐ কোরবানীর গরুর ভাগের বিধান কি.......

................ ২৩৪ ঔ কোরবানীকে ফরজ না বলে ওয়াজিব বলা হয় কেন?........

২৩৪ ঔ কোরবানীর পশু যবেহ করার সময় কোরবানীদাতার যে নাম দেওয়া হয়, তার | নিয়ম প্রসঙ্গে আলােচনা..

••••••••••• ২৩৫ ৫ কোরবানীর পশুর চামড়ার টাকা বিতরণের পদ্ধতি কি..

...................••••••••• ২৩৬ ও মুসলমান পরিবার কুকুর পালন করতে পারবে কিনা?............................. ২৩৬ ও দায়ুস কি? এর হুকুম কি?.......

২৩৮ ঔ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কারাে মৃত্যুর পর একজনের চেহারা অন্যজন দেখতে পারবে

= = = = = = = = = = = = = = = = = = =

= =

২৩৩

=

= ২১৪

..

.... ২১৪

.

.

..

.

.

.

= = =

= = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = =

15

16

৪.

২৫৪

- ২৪৩

| ২৫৪

যুগ জিজ্ঞাসা

কি?

২৩৮ ঐ মসজিদের ভিতরে দেয়ালের চার পাশে গ্লাস লাগানাে উচিত কিনা.............. ঐ মুসলমানদের মধ্যে কোন নারী-পুরুষ নামায, রােযা তথা শরীয়তের বিধি

বিধান কিছুই পালন করল না। এর পরিণতি প্রসঙ্গে........... ৫ আত্মঘাতী বােমা হামলা শরীয়তসম্মত কিনা?... ........ ঐ চিংড়ি মাছ খাওয়া কি জায়েজ........ ৫ শরিয়তের আলােকে ফাতেহার বিধান কি?........ * পায়ে মেহেদী দেয়া জায়েজ কিনা...... ৫ ‘স্বামীর পদতলে স্ত্রীর বেহেশত' এটা কি সঠিক?..

................. ও তথ্য প্রমাণ ছাড়া জারজ সন্তান বলে গালি দিলে শরীয়তের ফায়সালা কি?..... ২৪৪ ঐ কোন অমুসলিম স্বামী-স্ত্রী এক সাথে ঈমান আনয়নের পর পুনরায় ঐ

স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ হতে হবে কি?................. •••••••••••••••••••• ২৪৪ ৫ স্কুল কলেজে ছাত্র-ছাত্রীর মেলামেশা কোরআন-হাদিসের আলােকে কতটুকু

প্রাসঙ্গিক.....

..........••••••• ২৪৫ * স্বামীর অনুমতি ব্যতীত অন্য শিশুকে স্তন্য পান করানাে যাবে কি................ ২৪৫ ৫ বিবাহের সময় বরের হাতে মেহেদী এবং স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করা জায়েয।

আছে কিনা?...

••••• ২৪৬ ৫ হাফ হাতা শার্ট পরিধান করে নামায পড়লে নামায আদায় হবে কি না ?....... ২৪৭ ৫ ‘সৈয়দ' লেখা কার জন্য যােগ্য হবে বংশ হিসেবে না আওলাদ হিসেবে ?....... ২৪৭ ৫ মসজিদ এর খতীব হতে হলে কি কি যােগ্যতা প্রয়ােজন?... ঐ কোন ব্যক্তি যদি বলে- ‘আমার উপর এই কাজটা করা হারাম তাহলে সেই

কাজ করা কি হারাম হয়ে যাবে?.. ঐ চলাফেরায় অনিচ্ছাকৃত কারাে শরীরে পা স্পর্শ হলে অথবা কোন আঘাত দিলে

তখন করণীয় কি.. ৫ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে সালাম দিয়েছে। সেও একইভাবে সালাম দিয়েছে।

এখন সালামের উত্তর কিভাবে দিতে হবে?......

•••••••••••••• ২৪৯ ঔ গােসল ফরজ হওয়ার পর কেউ উক্ত নাপাক ব্যক্তির শরীরের সাথে লাগলে বা কোন

পবিত্র কাপড় তার গায়ে দিলে সে ব্যক্তি বা উক্ত কাপড় কি নাপাক হয়ে যাবে?.......... ২৪৯

যুগ জিজ্ঞাসা ঔ প্রচন্ড সর্দি থাকা অবস্থায় অজু করলে সর্দির প্রকোপ আরাে বেড়ে যায় এবং

হাঁচিও অবিরাম আসতে থাকে। এমতাবস্থায় তায়াম্মুম করে পবিত্রতা অর্জন

করা যাবে কি? ঔ রক্ত দেয়া জায়েয আছে কি?.....

.............................•••••

২৫২ ঐ দূর সম্পর্কের খালাকে বিবাহ করা জায়েজ কিনা?........... ঔ উলঙ্গ অবস্থায় ফরজ গােসল করলে আদায় হবে কি?........ ৫ বিয়েতে যে মােহর ধার্য করা হয় তা আদায়ের বিধান কী?......... ঔ জানাযা নামাজে ইমামতির যােগ্য কারা...... ঔ দরূদে হাজারী শরীফ কবরস্থানের পাশে দাঁড়িয়ে পাঠ করা যাবে কিনা.......... ও আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকা সত্ত্বেও মাদরাসার হােস্টেলে ফ্রি খাওয়া যাবে কি.......

পীর পরিবর্তন করা সমীচীন কিনা........ ও সুদ দেওয়া ও নেয়া প্রসঙ্গে শরীয়তের হুকুম কি..

মাথার চুল কাটার পর গােসল করতে হয় কিনা?..... ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি..

২৬২ ৫ টাকা ধার নেওয়া লােক মারা গেলে তার জন্য করণীয় কি?...

২৬২ ঔ বাবার সম্পত্তির অংশ থেকে মেয়েরা কতটুকু পাবে?.............. ঔ একজন মুসলমান শরীয়ত মােতাবেক কিভাবে বিবাহ করতে পারে এবং | ইসলামের দৃষ্টিতে কি কি প্রযােজ্য?... ঐ খতমে তাহলীল আদায়ের নিয়ম কি..

মুসাফির কিভাবে নামাজ আদায় করবে.......

.................... ২৬৬ ঐ গােসলের পর মহিলাদেরকে পুনরায় অজু করতে হবে কি?.................... ২৬৭ ঔ জায়গা জমি সংক্রান্ত মামলা-মােকদ্দমা বা ঝগড়া বিবাধের কারণে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা, কাফির বলা এবং বউ তালাক হয়ে গেছে বলা শরিয়তের দৃষ্টিতে কী হুকুম?.......

............ ২৬৭ ইসলামের দৃষ্টিতে টাই পড়াটা কতটুকু বৈধ?........................................। ঐ ছাত্রদের পড়া স্মরণে রাখার জন্য কী করা প্রয়ােজন?..................

• ২৬৯ ঐ শরীর যে অপবিত্র তা মনে না থাকা অবস্থায় নামায পড়লে আদায় হবে কি?.... ২৬৯ ও কবরস্থানের উপর মসজিদ নির্মাণ করা, ক্ষেত-খামার করা ও চলাচলের পথ

T

..........

• ২৬৩

.....

। । । ।

। । ।

। ।

। ।

। ।

। । ।

। । .

.

. .

.

রনক................

.

. . . .

. . . .

.

.

.

. .

. .

. .

.

.

=

=

। ।

। ।

=

=

= = = =

+ +

+

+ =

= = =

= = =

২৬৮

17

| ২৭৯

tas.

B

*

২৯৩

G

যুগ জিজ্ঞাসা

তৈরি করা শরীয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?......

২৭০ ঐ খতমে গাউছিয়া শরীফ পড়া নিয়ম কি..

•• ২৭৪ ৫ বর অথবা কনেকে সাত পুকুরের পানি দিয়ে গােসল করান এবং মােমবাতি

আমগাছের ঢাল বদনায় ভর্তি পানি, কুলােয় কাঁচা হলুদ, ঘাস এবং স্বর্ণের

আংটি কপালে দিয়ে সাতবার ঘুরানাে ইত্যাদি শরিয়তসম্মত কিনা............... ৩ জবেহ করার সময় অজুর প্রয়ােজনীয়তা আছে কি......................... ২৭৬ ৫ ফসলি জমি বন্ধকী দেয়া সম্পর্কে শরীয়তের ফয়সালা কি.. .................... ঐ রাত বা দিনের বেলায় মাইকযােগে পবিত্র খতমে কোরআন পড়া জায়েয আছে কিনা?... ২৮০ * বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ের মতামত নেয়া জরুরি কিনা................. ২৮০ ও সুনির্দিষ্ট স্থান ব্যতীত যেখানে-সেখানে পায়খানা-প্রস্রাব করা শরীয়তের দৃষ্টিতে

কি ধরনের অপরাধ?.................

•• • • • • • • • • ২৮১ ঐ মহিলাদের চুল কেটে ছােট করার হুকুম কি?....... ৫ মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠলে বা পানিতে নামার পর পায়ে মৃত মাছ লাগলে

তা তুলে খাওয়া জায়েয হবে কি?

•••• ২৮১ ঐ খৎনা করা কার সুন্নাত এবং সেটা কি আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়াসাল্লাম’র আসার আগে ছিল নাকি পরে হয়েছে এবং খৎনা করার বিধান কি?... ২৮২ ৫ ইমাম সাহেবের দাড়ি চুলে হেজাব লাগানাে যাবে কি,

•••• ২৮৩ ৫ মসজিদের জন্য টাকা সংগ্রহকারীকে পারিশ্রমিক দেয়া যায় কিনা,............... ২৮৩ ৫ ওয়াকফকৃত মসজিদে জুমার সীমানায় বা মসজিদের বারান্দায় ইমাম বা

মুয়াজ্জিনের জন্য আলাদাভাবে রুম করে থাকা, খাওয়া ও ঘুম যাওয়া জায়েয।

..... ২৮১

যুগ জিজ্ঞাসা

নামাযের পূর্বে খােত্বর বাংলা তরজমা বা আলােচনা করা জায়েয আছে কিনা?. ঐ মুসলমানদের জন্মদিন পালন করা এবং জন্মদিন উপলক্ষে খাওয়া-দাওয়া | জায়েয আছে কিনা?

.......... •••• ঐ টিপস বা বখশিশ দেওয়া বা গ্রহণ করা শরীয়ত সম্মত কিনা?........... ও কবিরা গুনাহ ও সগীরা গুনাহ্ করার পরিণতি কি... ঔ ফরায়েজের আলােকে সম্পত্তির ভাগ বণ্টনের বিধান কি.......... ও পায়ে মেহেদী দেওয়া জায়েয আছে কিনা?..... ঐ মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে কী ধরনের ক্ষতি হয়........ ও কোরবানী পশুর নাড়িভূড়ি এবং পায়ের নিচের অংশ অর্থাৎ খুর খাওয়া যাবে কি?.... ই জন্ম নিয়ন্ত্রণ বা লাইগেশন করা সম্বন্ধে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কি..... ঔ তাহলীলের সংখ্যা কত? মায়ের নামে হজ্ব করা যাবে কিনা?................ ও স্ত্রীকে তালাক দেয়া পরবর্তী ইদ্দত পালনের নিয়ম কি.....

............... ঔ মহিলাদের হায়েজ নেফাজ অবস্থায় ধর্মীয় বই-কিতাব পড়া যাবে কি......... ঐ আত্মহত্যাকারীর জানাযা গােসল ও কাফন এর পরানাের নিয়ম কি............. ২৯৭। ঔ মাসবুক কিভাবে নামায পড়াবে এবং লাহেক কিভাবে নামায পড়াবে............ ২৯৯ ও পুরাতন মসজিদ ভাঙ্গার পর মসজিদের তলার মাটি নতুন মসজিদের তলায় | ব্যবহার করা যাবে কিনা?.......

ও বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি বা সমিতি লটারি কুপন করছে। এগুলাে ইসলামী | শরীয়ত মতে বৈধ কিনা?...

.............. ৩০০ মসজিদের গাছ ও টিন দিয়ে মকতব নির্মাণ করা যাবে কিনা?................... ৩০৩ ঐ নেসাব পরিমাণ টাকা ব্যাংকে জমা থাকলে যাকাত দেওয়ার সময় ঘরের

অলঙ্কারাদির (যা নেসাব পরিমাণ হয়নি) মূল্য নির্ধারণ করে ব্যাংকের জমা টাকার সাথে যুক্ত করতে হবে কি না?.......

•••••••••••••••• ৩০৩ ঐ যে সব প্রাণীর গােশত খাওয়া হালাল তা যবেহ করার সময় আল্লাহর নাম ছাড়া

যবেহ করলে খাওয়া কি হারাম না হালাল?..

. . . . . . . . . . . ৩০৪ এই কাজা নামাজের কাফফারা পরিশােধের বিধান কি......... ঐ রাস্তায় পাওয়া টাকার করণীয় কি..

৩০৭

&

.

. .

= =

= =

= =

= =

৫ ঢিলা-কুলুখ ব্যবহারের প্রয়ােজনীয়তা কি..

.... ২৮৫ ৫ গােপনে বিয়ে করা। রেজিস্ট্রি ও দেনমােহর ধার্য করা এবং সাক্ষী থাকার

বিধান কি,

•••••••••• ২৮৬ ৫ মুসলমানদের হালাল পশু যবেহ করার সময় ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার

ছাড়া যদি কোন হালাল পশু যবেহ করা হয় তা খাওয়া কি হারাম হবে?......... ২৮৭। ঐ মুসলমানের দোকান থাকা অবস্থায় কি অন্য ধর্মের লােকের দোকান হতে ক্রয়

করা যাবে........

... ২৮৭

|

u

= = = = = = =

= = = = =

= = = = = =

0

.........

19

20

॥ ॥

।।।

": ৩৩৪

৩১০

= = = = =

৩৩৫

যুগ জিজ্ঞাসা

৫ হিজড়াদের সম্বন্ধে শরীয়তের হুকুম কি,

৩০৭ ও তিলাওয়াতে সাজদাহ নিয়ম কি.................

৩০৮ ঐ অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্বামীর প্রাণ বাঁচানাের জন্য স্বামীকে তালাক দেওয়া হয়েছে এ

তালাক কার্যকর হবে কিনা?............... ঔ বায়’আত কি? এর গুরুত্ব ও প্রয়ােজনীয়তা কেন ও কত বয়সে বায়'আত গ্রহণ

করা উত্তম? .... $ মুসাফির ও মুক্বীম এর নামাজ আদায়ের নিয়ম কি...

৩১২ * কাবা শরীফ ও রওজা আদসের ছবি সম্বলিত জায়নামাজে নামাজ আদায়ে

কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন দরকার.. ঐ ওয়াক্তিয়া নামাজের নিয়তে ভুলক্রমে অন্য ওয়াক্তের নামাজের নিয়ত করলে

করণীয় কি?... ঐ চরম রাগ ও অস্থির অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে কিনা................... ঔ আকীকা করা কি সুন্নাত?...

নিজের কাফফারা নিজে খাওয়া কি জায়েয...

...............••••• ঐ মেয়ের বিয়ের পর নাকে দুল পরা কি জরুরি? ঐ স্বামী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিবাহ সম্পর্কে শরীয়ত কি বলে?................ ৩২১ ও ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদেরকে কাফের বলা যাবে কি না ?............................. ঐ রােজা অবস্থায় নিজের সন্তানকে দুধ পান করা যাবে কি?........... ঐ কোন স্বামী তাঁর স্ত্রীর স্তন চুষলে স্ত্রীর উপর কি তালাক অর্পিত হবে? জানালে

উপকৃত হব..........

.................... ৩২৩ ঐ মসজিদের ইমাম হওয়ার জন্য কি কি গুণাবলী প্রয়ােজন? কি কি কারণে

একজন মাওলানা ইমাম হওয়ার অযােগ্য হয়?.... ৫ নাপাক অবস্থায়ও কি আযানের জবাব দেওয়া যায়?......

....... ৩২৪ $ পুরানাে একটি জুমা মসজিদের পাশাপাশি নতুন মসজিদ হওয়ায় পুরানাে

মসজিদ এর কি অবস্থা হবে?.. ৫ দ্বীনী ইলম তলব করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ফরজ। কতটুকু

ইলম তলব করলে ফরজ আদায় হয়ে যাবে....

. ৩২৬ ৫ খ্রিস্টান ধর্মে থাকা অবস্থায় বিবাহ করার পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে কি

যুগ জিজ্ঞাসা

নতুনভাবে আক্দ করতে হবে?......... ঔ মায়ের কবরে সাওয়াব পৌছানাের জন্য কি কি করা করণীয়?................... * শুক্রবার জুমার দিনে অনেক মসজিদে দেখা যায় খােতবা শুরু হওয়ার সাথে

সাথে মসজিদের টাকা তােলা শুরু করে দেয়। কি নিয়মে টাকা তুলা উচিত

জানালে খুশি হব................. ঔ মসজিদের জায়গায় ভাড়ার ঘর ইমাম ছেলে মেয়ে স্ত্রী নিয়ে বসবাস করতে

পারবে কিনা?...... ও অর্থ সম্পদশালী সামর্থবান ইমাম সাহেব সাদকা ফিতরা কোরবানির চামড়ার

টাকা গ্রহণ করতে পারবে কিনা?.................

•••••••••• ৩৩৬ ঐ আযানের উত্তর দেওয়ার ফযিলত কি? আর জুমার নামাযের খােতবার

আযানের উত্তর দিতে ও মুনাজাত করতে হবে কি?................

| ৩৭ ও মসজিদ নির্মাণকালে কারাে নাম জুড়ে দিলে সেই মসজিদে নামায পড়লে

আদায় হবে কিনা। মসজিদে দরজা বন্ধ করে নামায পড়লে হবে কিনা এবং মসজিদে লাল বাতি জ্বালানাে জায়েয আছে কিনা? ........

...... ৩৩৮ ৫ নামায পড়া অবস্থায় ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল যদি স্থান থেকে নড়ে নামায শুদ্ধ হবে

কিনা?..

........ ৩৩৮ ঐ কবরস্থানের উপর মসজিদ নির্মাণ করা জায়েজ হবে কি? .....

| ৩৩৯ [আরও অনেক প্রশ্নের উত্তর আছে যা সূচিতে আনা হয় নাই)

...........

.

.

.

.

. .

= = =

= = = =

=

=

।।

।। ।

।।

৩২৩

21.

22

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

✉ মুহাম্মদ আখতার হুসাইন নেজামী

দক্ষিণ কধুরখীল, বােয়ালখালী, চট্টগ্রাম

প্রশ্ন : আমাদের দেশে কিছু বাতিল ফেরকা আছে যাদের নিয়ে সব সময় মিলাদুন্নবী নিয়ে ঝগড়া হয়, অর্থাৎ তারা বলে যে মিলাদুন্নবী করার প্রয়ােজন নেই সিরাতুন্নবী করলে হয়। তাই আমি জানতে চাই, মিলাদুন্নবী আর সিরাতুন্নবী এর মধ্যে আসল সমস্যাটা কী? দলিল সহকারে জানালে উপকৃত হব। [9 উত্তর ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আজ সারা বিশ্বে স্বীকৃত এক সম্পূর্ণ শরীয়তসম্মত অশেষ ফজিলতপূর্ণ ইবাদত ও অনুষ্ঠান। যা বিশ্বজগতের প্রাণ রহমাতুল্লিল আলামীন হুজুর পুরনূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শুভাগমনকে উপলক্ষ করে উদ্যাপন করা হয়। মিলাদুন্নবী উদ্যাপন করা পবিত্র কোরআনের নির্দেশ। পাশাপাশি হাদীস, ইজমা, কিয়াস ইত্যাদি দ্বারা প্রমাণিত। পক্ষান্তরে সিরাতুন্নবী কাকে বলে? এর মৌলিকতা যথার্থতা ইত্যাদি গবেষণা অবশ্যই প্রয়ােজন। এ পর্যায়ে সর্বজন সমাদৃত ব্যক্তিত্ব শায়খুল হাদীস ওয়াল ফিকহ ওয়াত তাফসীর আল্লামা সৈয়দ মুফতী আমীমুল ইহসান মুজাদ্দেদী বারকাতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি’র মতে

السير جمع سيرة وهي الطريقة سواء كانت خيرا او شرا ثم غلب في الشرع على طريقة المسلمين في المعاملة مع الكافرين والبغاة و غيرهما من المستامنين والمرتدين- قال ابن همام غلب في عرف الفقهاء على الطريق المامور في غزو الكفار وفي الكفاية انه يختص بسير النبي قال في المغازی سميت المغازي مسيرا لان اول اموره السير الى الغزو وقال النسفي السير امور الغزو کالمناسک امور الحج قواعد الفقة . ص ۳۳۱

ইমাম নাসাফী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন- জিহাদের কর্মপদ্ধতির নাম হল সীরাত আর হজ্বের কর্মপদ্ধতির নাম মানাসিক।

কাওয়ায়েদুল ফিকহ, ৩৩১ পৃষ্ঠা, কৃত: মুফতী আমীমুল ইহসান রহমাতুল্লাহি আলাইহি উপরােক্ত আলােচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সীরাতুন্নবী নবীজির জাহেরী-বাতেনী বিশাল জীবনের সীমিত একটা অংশমাত্র। আর মীলাদুন্নবী হলাে ব্যাপক; যাতে নবীজির নূরী জগতের আদি সৃষ্টি হতে শুরু করে নূরানী জগতে লক্ষ লক্ষ বৎসর বিচরণ, দুনিয়ার বুকে শুভাগমন ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় আধ্যাত্মিক কর্মময় জীবনের নবুয়তের এলান, দ্বীনের দাওয়াত মুজিযাসহ নবীজির জীবনে বিশাল অঙ্গণ নিয়ে বহুমুখি আলােচনার নামই হলাে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। সাধারণত: সীরাত শব্দের অর্থ- চরিত্র, অভ্যাস, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি। কিন্তু সীরাত শব্দটি যখন নবীর দিকে সম্বােধন করা হয়, তখন নবীজির যুদ্ধ জীবন বা নবুয়ত প্রকাশের পরবর্তী তেইশ বৎসর জীবনের কথাই বুঝানাে হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য সম্প্রতি একটি কুচক্রি মহল মিলাদুন্নবীর বিশাল আয়ােজন আর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান থেকে সাধারণ মুসলমান তথা নবীপ্রেমিকদের দূরে সরিয়ে রাখার অপকৌশল হিসেবে সীরাতুন্নবী মাহফিল এর অবতারণা করেছে। উদ্দেশ্য কেবল মিলাদুন্নবীর বিরােধিতা করা। তদুপরি মাহে রবিউল আউয়াল প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ধরা বুকে শুভাগমনের মাস হিসেবে এ মাসে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পালন করাটাই যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত। তাই যুগ যুগ ধরে সারা বিশ্বে ইসলামী স্কলারগণ বিশেষত পবিত্র রবিউল আউয়ালে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন করে আসছেন। যা। শরীয়তের আলােকে মুস্তাহাব এবং অনেক অনেক কল্যাণকর।

আল হাবী লিল ফতােয়া- কৃত, ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (রহ.) ইত্যাদি) 4 মাজেদুল ইসলাম

সিলেট প্রশ্নঃ কোরআন-হাদীসের আলােকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পরিচিতি এবং বাতিলের কথা আলােচনা করলে খুশি হব। [] উত্তর ঃ ইসলাম কালজয়ী ও শ্রেষ্ঠ দর্শন। আল্লাহর নিকট একমাত্র মনােনীত ধর্ম হল ইসলাম। ইয়াহুদী-নাসারা, কাফির-মুশরিকরা ইসলামের আদি শক্র। এরা যুগে যুগে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে বাহ্যিকদৃষ্টিকোণে সফলও হয়েছিল। ফলে মুসলমানদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক অর্থলােভী, দূর্বল ঈমানদারকে তাদের অনুগত বানিয়ে মুসলমানদের সুদৃঢ় ঐক্যে ফাটল ধরার অপচেষ্টায় মেতে ওঠে। তাই প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক আগেই উম্মতকে হুশিয়ার করে দিয়েছেন- “বনী ইসরাঈল বাহাত্তর দলে বিভক্ত ছিল, আর আমার উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। সবই জাহান্নামে যাবে একটি দল ছাড়া। নবীজির খিদমতে

অর্থাৎ: সীরাত শব্দটি একবচন, তার বহুবচন সিয়র। আভিধানিক অর্থ পদ্ধতি, ভাল হােক কিংবা মন্দ হােক। আর পারিভাষিক অর্থে কাফির, বিদ্রোহী, ধর্মবিরােধী এবং মুরতাদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ বিগ্রহ বা মােকাবেলার নাম সীরাত। ইমাম ইবনে হুম্মাম বলেন- ফিকহবিদদের পরিভাষায় কাফিরদের সাথে যুদ্ধ জিহাদ করার ক্ষেত্রে শরীয়তের যে সমস্ত কর্মপদ্ধতি প্রয়ােগ করা হয় তার নামই সীরাত। আল কিফায়া নামক কিতাবে রয়েছে- সিয়ারুন্নবী বা সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবীর যুদ্ধ জীবনের জন্য সীমিত। আর সীয়র শব্দটি এসেছে সা-ইরুন থেকে যার অর্থ সফর করা ভ্রমণ করা ইত্যাদি। সুতরাং যুদ্ধকে সিয়র এ জন্য বলা হয়, যেহেতু যুদ্ধ করার জন্য প্রথমে যুদ্ধের ময়দানে সফর করতে হয়।

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

ল্প উত্তর ঃ এটা হাদীসে কুদসী। যেখানে আল্লাহ্ পাক রব্বল আলামীন স্বয়ং ঘােষণা দিয়েছেন

لولاك لما خلقت الأفلاك

অর্থাৎ হে হাবীব, আপনি যদি না হতেন তাহলে আমি আসমান সমূহের কিছুই সৃষ্টি করতাম না। এই হাদীস শরীফ তাফসীরে রূহুল বায়ান, ১ম খন্ড ২৮ পৃষ্ঠায় এবং শায়খ মুহাক্কিক আবদুল হক দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ‘মাদারিজুন্ নুবুওয়্যত কিতাবে সহীহ হাদীস হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অপর হাদীসে উল্লেখ আছে

لولاك لما أظهرت الربوبية

আরজ করা হলাে ইয়া রসূলাল্লাহ। সেই নাজাত প্রাপ্ত দল কোনটি? উত্তরে নবীজি ইরশাদ করেন- যে দলে আমি এবং আমার সাহাবাগণ রয়েছে।

-(আবু দাউদ শরীফ ও মিশকাত শরীফ] হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে একটি রেখা অঙ্কণ করলেন। অত:পর বললেন এটা আল্লাহর রাস্তা। অত:পর ঐ সরল রেখার ডানে-বামে আরাে অনেক রেখা অঙ্কণ করলেন এবং বললেন এ হলাে কতগুলাে রাস্তা, এর প্রত্যেকটিতে একটি করে শয়তান রয়েছে। সে ঐ ভ্রান্তপথে আহবান করছে। অত:পর এরশাদ করলেন- L

i ve । অর্থাৎ এটা (প্রথম রেখাই) আমার সহজ-সরল পথ। তােমরা এ পথের অনুসরণ কর।

মুসনাদে আহমদ মুসনাদুল মুকসিরিন মিনাস সাবাহ, মুসনাদি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, হাদিস নং-৩৯২৮, নাসায়ী, সুনানু কুবরা, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ.৩৪৩, হাদিস নং-১১১৭৪, সুনানে দারেমী, বাবু ফি কাবাহিয়্যাতি আখযির রায, ১ম খণ্ড,

| পৃ. নং-২৩০, হাদিস নং-২৯৮ ইত্যাদি। নবীজির নির্দেশিত সেই পথই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত। আর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পরিপন্থী অবশিষ্ট মতবাদগুলাে হলাে বাতিল ফিরকা বা গােমরাহ দল। উল্লিখিত হাদীস শরীফে নবীজি যে বাহাত্তরটি জাহান্নামী দলের কথা উল্লেখ করেছেন মূলত: সেগুলােই হলাে বাতিল ফিরকা। নবীজির সেই ভবিষ্যত বাণী পরবর্তীতে বাস্তবে

পরিণত হয়েছিল। মুহাদ্দিসীনে কেরাম ঐ হাদীসের ব্যাখ্যায় ইসলামের নামে সৃষ্ট বাতিল ফিরকাগুলাের তালিকা প্রণয়ন করেছেন। প্রথমত: তাঁরা ৭২টি বাতিল ফিরকার মূল ছয়টি উল্লেখ করেছেন। তা হলাে ১.খারেজী, ২. কৃদরিয়া, ৩.জাহমিয়া, ৪.মুরজিয়া, ৫. রাফেজী, ৬, জবরিয়া। আবার এগুলাের প্রত্যেকটি বার শাখায় বিভক্ত। আমাদের দেশে প্রচলিত বাতিল মতবাদ, ওহাবী, মওদূদী, তবলীগী, কাদিয়ানী, শিয়া ও খারেজী ইত্যাদি উপরােক্ত ছয়টি বাতিল ফিরকার কোন না কোন দলের অনুসারী ও তাদের আকীদায় বিশ্বাসী বলে এরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পরিপন্থী।

| [গুনিয়াতুত তালেবীন, কৃত: পীরানে পীর শায়খ আবদুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি, তাফসীরাতে আহমদিয়া, কৃত: শায়খ আহমাদ জীওয়ান, বাগে খলীল, ১ম খন্ড (আমার রচিত), এবং মাওলানা কাজী মঈনুদ্দীন

আশরাফী রচিত ‘কোরআন-সুন্নাহর আলােকে ইসলামের মূলধারা ও বাতিল ফিরকা ইত্যাদি।]

| “আপনি যদি না হতেন তাহলে আমার প্রভুত্বও প্রকাশ করতাম না।” অপর বর্ণনায় হাদীসে কুদসীতে মহান আল্লাহ্ বলেন- হে হাবীব! আপনাকে সৃষ্টি না করলে আদম আলাইহিস্ সালাম’কেও সৃষ্টি করতাম না। এ সমস্ত হাদীস বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন- শারেহে সহীহ বুখারী ইমাম আহমদ কস্তুলানী স্বীয় কিতাব আল্ মাওয়াহেবুল লাদুনিয়ায়। [মাওয়াহেবে লাদুনিয়া, ১ম খন্ড ও আওয়ারে মুহাম্মদিয়া, কৃত: আল্লামা ইউসুফ নিবহানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইত্যাদি)।

ঔপ্রশ্ন ঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি নূরের সৃষ্টি না কি স্বামী-স্ত্রীর দ্বারা যেভাবে বীর্য হতে সৃষ্টি হয় সেভাবে সৃষ্টি ? এ ব্যাপারে কোরআন-হাদীস দ্বারা প্রমাণ করলে উপকৃত হবাে ।

উত্তর ঃ রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নূরের সৃষ্টি। আঠার হাজার মাখলুকাত সৃষ্টির আগেই মহান আল্লাহ্ তাঁর হাবীব ও নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নূর মােবারক সৃষ্টি করেছেন এবং নূর মােবারক থেকেই সবকিছু সৃষ্টি করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে হযরত জাবের রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস শরীফ প্রণিধানযােগ্য। তিনি নবীজির দরবারে আরজ করলেন- ইয়া রসূলাল্লাহ্, আমাদের দয়া করে বলুন, আল্লাহ্ কোন জিনিসটি সর্বপ্রথম সৃষ্টি করেছিলেন? উত্তরে তিনি ইরশাদ করলেন

إن الله خلق بل الأشياء ثور بيك

✉ হাজী মুহাম্মদ আৰু তাহের

হিরাপুর, নবীয়াবাদ, মুরাদনগর, কুমিল্লা ঔপ্রশ্ন ঃ “রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সৃষ্টি না হলে আল্লাহ্ তাআলা আসমান-জমিন সৃষ্টি করতে না কোরআন ও হাদীসের আলােকে এ কথাটি আলােচনা করলে উপকৃত হবাে।

“আল্লাহ্ তায়ালা সর্বপ্রথম তােমার নবীর নূরকেই সৃষ্টি করেছেন। যখন চন্দ্র, সূর্য, আসমান, যমীন, আরশ, কুরসী, বেহেশত, দোযখ কিছুই ছিল না।”

| -আল আনওয়ারুল মুহাম্মাদিয়া মিনাল মাওয়াহিবিল লাদুনিয়া] পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে

كتاب مين

قد جاءكم من الله و

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

অর্থাৎ-“আল্লাহর পক্ষ হতে তােমাদের নিকট এসেছে

মহান নূর এবং স্পষ্ট কিতাব”(সুরা মায়েদা] এই আয়াতের ব্যাখ্যায় তাফসীরে জালালাঈনসহ অধিকাংশ তাফসীর শাস্ত্রে ‘নূর বলতে নবীয়ে আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বুঝানাে হয়েছে। এছাড়া কোরআন হাদীসের অসংখ্য দলিল ও প্রমাণ রয়েছে যে, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাকীকত নূরের সৃষ্টি। জাহেরীভাবে মাতা-পিতার মাধ্যমে ধরাবুকে প্রিয় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শুভাগমন হওয়া নূর হওয়ার অন্তরায় নয়। বরং এটা আল্লাহর কুদরতের কৌশল ও সুন্নাত। এটা দ্বারা আদম জাতির মর্যাদা অধিকতর বৃদ্ধি করা হয়েছে । তার অর্থ এই নয় যে, তিনি আমাদের মত সাধারণ মানব। এই জাতীয় বিভ্রান্তিকর ধারণার বিন্দুমাত্র অবকাশ নাই। কারণ, তা প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শানে চরম কটুক্তি ও বেআদবী; যা স্পষ্ট কুফুরীর নামান্তর। বরং তিনি অতুলনীয় ও অসাধারণ নূরানী মানব এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহর প্রিয় রসূল । এটাই প্রকৃত ঈমানদারের আকীদা ও বিশ্বাস। আল্লাহ সবাইকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শান-মান, মর্যাদা বুঝার তাওফীক দান করুন, আমীন।

(তাফসীরে কাবীর, রূহুল মাআনী ও আল খাছায়েছুল কুবরা, কৃত: ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইত্যাদি]

কাদিয়ান নিবাসী মীর্জা গােলাম আহমদ কাদিয়ানী (জন্ম ১৮৩৫, মৃত্যু ১৯০৮ ইংরেজী) এক ভন্ডনবী । মূলত: সে ইংরেজ শাসকদের ক্রীড়নক হিসেবে সরলমনা মুসলিম মিল্লাতের ঈমান আকীদাকে বিনষ্ট করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়েছিল। মনে রাখতে হবে- সমগ্র পৃথিবীব্যাপী মুসলমানদের আদি শক্র হলাে ইহুদী ও নাসারা এ দু'টি শ্ৰেণী। এরা যুগে যুগে মুসলমানদের মাঝে দ্বন্দ্ব-কলহ সৃষ্টি করে তাতে ইন্ধন দিয়ে আসছে এবং মুসলমানদের মধ্য থেকেই কিছু লােককে কৌশলে প্রয়ােজনে অর্থের বিনিময়ে তাদের অনুগত বানিয়ে মুসলমানদের ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করে বৃহত্তর মুসলিম শক্তিকে দুর্বল করে দেয়ার প্রয়াসে রত । আর তারই একটি ধারাবাহিকতার ফলশ্রুতি হলাে কাদিয়ানী ফিতনা। সুতরাং তাদের ব্যাপারে প্রতিটি মুসলমানদের সচেতন থাকা দরকার যেন কোন প্রতারণার শিকার হয়ে নিজেদের মূল্যবান ঈমান হারিয়ে না ফেলে ।

এ মুহাম্মদ ইদ্রিস রেজভী

বৈরাগ, আনােয়ারা, চট্টগ্রাম ঔপ্রশ্ন ও ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কাদিয়ানীদের উপযুক্ত শাস্তি কি? কাদিয়ানীদের প্রতিষ্ঠাতা কে, তার আবাসস্থল কোথায়? কেন সে ফিতনার গােড়াপত্তন করলাে? বিস্তারিত জানতে আগ্রহী।

In উত্তর : মুসলিম বিশ্বের সমস্ত আলেম, ফকীহ ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে ফতােয়া দিয়েছেন যে, কাদিয়ানী মতবাদ কুফুরী মতবাদ। তারা আমাদের প্রিয় রসূল খাতামুন নাবীয়্যীন, শাফীউল মুনিবীন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষনবী স্বীকার করে না। অথচ, পবিত্র কোরআনের ফায়সালা হলাে

5 এস.এম.নাজিম উদ্দীন খান

| নিউ আল মদিনা ক্লথ স্টোর, পটিয়া, চট্টগ্রাম ঔপ্রশ্ন ঃ জনৈক ব্যক্তি কথার প্রসঙ্গে বলেছে- “মৌলভীরা বা মৌলভী বলতেই চিটিং’ । এখন আমার কথা হচ্ছে সব মৌলভীরাতাে চিটিং নয় এবং এ কথার মধ্যে কি আমাদের প্রিয় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, খােলাফায়ে রাশিদীন, আসহাবে রসূল, তাবেয়ীন, তাবয়ে তাবেয়ীন, আইম্মায়ে মুসলেমীন, বিখ্যাত মুহাদ্দেসীনে কেরাম ও হযরত বড়পীর মুহিউদ্দীন আবদুল কাদের জিলানী রদিয়াল্লাহু আনহুম, বুযুর্গানে দ্বীনসহ ও বর্তমান যুগের ছহীহ আলেম সম্প্রদায় ‘মৌলভী' কথাটির অন্তর্ভূক্ত হয়ে উক্ত অপবাদে আখ্যায়িত হলে না? যদি হয়ে থাকেন, তাহলে উল্লিখিত উক্তিকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের ঈমান আকীদার পরিণতি কী হতে পারে? পুনরায় কি তাওবাহ করতে হবে ? বিস্তারিত কোরআন-সুন্নাহর প্রমাণ সহকারে জনৈক ব্যক্তির সংশােধনীর জন্য আমাকে জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

উত্তর : প্রকৃত আলেম সমাজের সম্মান মহান রব্বল আলামীনই বৃদ্ধি করেছেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে- lali। ।ili; অথাৎ যাদেরকে ইলুম দান করা হয়েছে তাদের জন্য অনেক মর্যাদা। মনে রাখবেন দাঁড়ি রেখে টুপি আর পাঞ্জাবী গায়ে দিলে আলেম হয় না। এ ধরণের আলেমের লেবাসধারী কোন ব্যক্তির দুশ্চরিত্রের কারণে ঢালাওভাবে সমস্ত আলেমকে চিটিং বলা নিঃসন্দেহে বেআদবী, অবিচার ও চরম অপরাধ।

অধিকন্তু আলেম সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে যদি কেউ এ ধরণের মন্তব্য করে তাহলে তার ঈমান চলে যাবে। কারণ, ফোকাহায়ে কেরাম এ কথার উপর এজমা (ঐক্যমত) পােষণ করেছেন যে,

ماکان محمدا ابا احد بين رجالکم ولكن شول الله وخاتم الثبين سورة الاحزاب)

অর্থাৎ- “হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তােমাদের কারাে পিতা (সাধারণ মানুষ) নন, বরং তিনি হলেন আল্লাহর প্রিয় রসূল এবং সর্বশেষ নবী।”

| সুিরা আহযাব] কাদিয়ানী মতবাদের প্রবর্তক পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুরের অন্তর্গত

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

SyLLjj a_s। অথাৎ- প্রকৃত হক্কানী ওলামায়ে কেরামের প্রতি ইলমে দ্বীনের কারণে হেয় প্রতিপন্ন করা কুফরী ও বেঈমানীর নামান্তর। এ ধরণের উক্তিকারী অবশ্যই খালেছ নিয়তে তাওবা করবে আর ভবিষ্যতের জন্য সজাগ থাকবে । -(ফতােয়ায়ে হিন্দিয়া ইত্যাদি)

ঐ মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম আরিফী

সিরাজনগর ফাজিল মাদরাসা, শ্রীমঙ্গল, মৌঃবাজার

প্রশ্নঃ ইলিয়াসী তাবলিগের তৎপরতা বর্তমানে আমাদের দেশে অত্যন্ত বেশী পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাদের আসল উদ্দেশ্য কি? বর্তমানে সুন্নী জামাতের পক্ষ হতেও ‘দাওয়াতে ইসলামী নামে সুন্নী তাবলীগ বের হয়েছে বলে প্রকাশ । তাদের কতগুলাে বৈশিষ্ট্য জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

এর উত্তর ঃ ইলিয়াসী তাবলীগ জামাতের উদ্দেশ্য হলাে বাহ্যিক আমলের মাধ্যমে সরল মুসলমানদের মধ্যে ওহাবী মতবাদ অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়া। তারা নবী-অলীর প্রতি তাজিম প্রদর্শনসহ মিলাদ-কিয়াম, ফাতিহাখানিসহ অনেক পূণ্যময় নেক আমলসমূহকে বিদ'আত-শিরক মনে করে এবং প্রিয় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমাদের মত সাধারণ দোষে-গুণে মাটির মানুষ মনে করে। এ ছাড়া আরাে বহু ভ্রান্ত মতবাদ তাদের রয়েছে।

বিধ্বংসী অসংখ্য আক্বীদা বুকে ধারণ করে গাড়ি নিয়ে এরা ঘুরে এ প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তরে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, এদের আমীর (প্রতিষ্ঠাতা) ইলিয়াছ মেওয়াতী। যে পরােক্ষভাবে নিজেকে নবী দাবী করতেও কুণ্ঠাবােধ করেনি।

| মিলফুজাতে ইলিয়াস মেওয়াতী ও আল্লামা আরশাদুল কাদেরী প্রণীত “তাবলীগী জামাআত”। ঐ মুজাহিদ আহমদ

৭৬, জামালখান লেইন, চট্টগ্রাম

প্রশ্ন : আল্লাহ পাক হযরত আদম আলাইহিস সালামকে সাজদা করার জন্য ফেরেশতাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন কেন? কোরআন-হাদীসের আলােকে জানতে চাই। | উত্তর ও পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে- ১১। | asia U LIG 131

Ly! ২৬ অর্থাৎ- স্মরণ করুন সেই সময়ের কথা যখন আমি ফেরেশতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলাম, তােমরা আদমকে সাজদা কর, তখন ইবলিস ব্যতীত সবাই সাজদা করেছিলেন। -[সূরা বাক্বারা উক্ত নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর আনুগত্য এবং নবীগণের প্রতি সম্মান প্রদর্শন পরীক্ষা করা। আর সেই পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ হলেও শয়তান ধরা পড়ে যায়।

[তাফসীরে রূহুল বায়ান ও তাফসীরে কাবীর, সূরা বাক্বারা।

✉ হাফেজ মুহাম্মদ নূরুল বাশার

সৈয়দপাড়া, নানুপুর, ফটিকছড়ি ঔপ্রশ্ন ঃ ঢাকার তুরাগ নদীর তীরে প্রতি বৎসর বিশ্ব ইজতেমা উদযাপিত হয়। যাতে বিশ্বের দেশ বরেণ্য অনেক মুসলিম ভাইয়ের সমাগম হয়। যা নিয়ে এক শ্রেণীর লােক খুবই গর্বের সাথে বলে থাকেন- পবিত্র হজ্ব মােবারকের পর এটা দ্বিতীয় মুসলিম সমাবেশ। এরূপ বলার ভাষা ও ইসলামের স্তম্ভ পবিত্র হজের সাথে তুলনা করা কতটুকু গ্রহণীয়? ব্যাখ্যা সহকারে উত্তরদানে খুশী করবেন।

SA উত্তর ও টঙ্গীর ইজতেমা সম্পর্কে এ ধরণের বেশ কিছু অলিক, উদ্ভট আর হাস্যকর মন্তব্য-ধারণা শােনা যায়, যা একজন সত্যিকার মুসলমান মেনে নিতে পারে

। অধিকন্তু কোরআন-সুন্নাহ বিরােধী এ জাতীয় কথাবার্তা বাতিল ফিরকা ওহাবীদের মুখেই মানায়। মূলতঃ টঙ্গীর ইজতেমার আয়ােজকরা হলাে ওহাবী-দেওবন্দী আক্বীদার অনুসারী। এদের মতবাদটাই কাল্পনিক। এরাই কিতাবে লিখেছে- “আল্লাহু মিথ্যা বলতে পারে। এরাই বলে থাকে- ‘নামাযে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেয়াল আসা গরু-গাধার খেয়াল আসার চাইতেও মারাত্মক। কোরআন-সুন্নাহ বিরােধী ঈমান

3 মুহাম্মদ জামাল উদ্দীন ভান্ডারী

সহ-সভাপতি, রিয়াদ গাউসিয়া হক কমিটি ঔপ্রশ্ন ওমে ২০০৩ সালের তরজুমানে খালেকুজ্জামানের উত্তরে লিখেছেন : নবী-রসূল, পীর-মাশায়েখ ও পিতা-মাতাকে সম্মানার্থে সিজদা করা হারাম। যদি তাই হয় তাহলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন দুনিয়ায় তাশরীফ এনেছেন সেদিন খানায়ে কাবা ও ফেরেশতারা শীর ঝুকিয়ে সিজদা করেছিল কেন? আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাদেরকে কেন আদম আলাইহিস সালামকে সিজদা করতে বলেছিলেন? সম্মানের জন্য না ইবাদতের জন্য? আল্লাহর জাতে পাকের নূর থেকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁকে কীভাবে সম্মান করা যাবে? পীর-মাশায়েখের ব্যাপারে মুফতীয়ে আজম হযরতুল আল্লামা মাওলানা সৈয়দ আমিনুল হক ফরহাদাবাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি’র ফার্সি কিতাবে লিখেছেন তাজিমী সিজদা জায়েয। বেলায়তে মুত্বলাকা অছিয়ে গাউসুল আজম হযরত শাহ সূফী মাওলানা দেলােয়ার হুসাইন আল-মাইজভান্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহিও একই কথা লিখেছেন। তাঁরা কি মিথ্যা লিখেছেন? বাতিল ফিরকা তথা ওহাবী মওদূদীদেরকে আমরা ভয় করি না ভয় করি শুধু

আল্লাহকে। অনুগ্রহ পূর্বক সঠিক উত্তর দিয়ে খুশী করবেন। SA উত্তর ও সিজদায়ে তাজিমী তথা কারাে সম্মানার্থে সিজদা করা সম্পর্কে মাসিক

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

করেছেন। যা ইমাম ইবনে নুজাইম আল-মিসরী আল-হানাফী রহমাতুল্লাহি আলাইহি কিতাবুল আশবাহ ওয়া নাজায়ের, ১ম খণ্ডে এবং ইমাম আহমদ রেযা রহমাতুল্লাহি আলাইহি ‘ফতওয়া-ই রজভিয়া' ও আযযুবদাতুয যাকিয়্যাহ’য় বিস্তারিত আলােচনা করেছেন। সুতরাং আমরাও মাসিক তরজুমানে একাধিকবার অধিকাংশ ইমামগণের ফতওয়া মর্মে আলােচনা করেছি মাত্র। যেহেতু ইখতিলাফী মাসআলাসমূহে অধিকাংশ ইমাম ও ফকীহগণের মতামতের উপরই ফতওয়া ও চূড়ান্ত ফায়সালা প্রদান করা হয়।

তরজুমানে আমরা একাধিকবার আলােচনা করেছি। ইসলামী শরীয়তে সিজদায়ে তাজিমী হারাম -এটাই অধিকাংশ ফকীহগণের অভিমত। কারণ, সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম মুহাব্বতের অতিশয্যে হুজুরে আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্মানার্থে সিজদা করার অনুমতি প্রার্থনা করেছিলেন, কিন্তু হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দেন নি, বরং বারণ করেছিলেন। পূর্বেকার নবীগণ আলাইহিমুস সালাম এর যুগে তাজিমী সিজদা জায়েয ছিল। পরবর্তীতে আমাদের শরীয়তে অধিকাংশ ইমামগণের মতে তা হারাম ও নাজায়েয হিসেবে সাব্যস্ত হয়। সিজদায়ে তাজিমী নাজায়েয ও হারাম হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল থাকা সত্ত্বেও খানায়ে কাবা ইত্যাদি হুজুর পাকের শুভাগমনের মুহূর্তে সিজদা করেছে। মূলতঃ তার অর্থ খানায়ে কাবা নবীজিকে সম্মান প্রদর্শন করেছে। সুতরাং এ সব বলে সিজদায়ে তাজিমী জায়েয বলা যুক্তিযুক্ত নয়। তদুপরি হুজুর পাকের শুভ পদার্পনের সময় ফেরেশতাগণ সিজদা করেছেন মর্মে কোন সুস্পষ্ট দলীল নেই। বরং তাঁরা ওই সময় হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামা’র উপর সালাত- সালামই আরজ করেছিলেন এবং তাঁর গুণকীর্তন করেছেন মর্মে বর্ণনাসমূহ বিভিন্ন কিতাবে দেখা যায়। তবে প্রিয় নবীকে চতুষ্পদ জন্তু উট ইত্যাদিও সিজদা করেছে মর্মে বিভিন্ন বর্ণনা দেখা যায়। যার অর্থ সম্মান প্রদর্শন করা। তদুপরি চতুষ্পদ জন্তু আর মানুষের হুকুম এক নয়। ইসলামী শরীয়তে মাতা-পিতা, শিক্ষক, পীর-মুরশিদ প্রমুখকে সম্মান জানানাের সুনির্দিষ্ট রীতি রয়েছে। আর তাহল- সালাম দেয়া, কদমবুচি বা হাত ও পায়ে চুম্বন দেয়া, মুসাফাহা ও কোলাকুলি করা ইত্যাদি। সুতরাং হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাহাবায়ে কেরাম ও আল্লাহর পূণ্যাত্ম বান্দাগণ যেভাবে আদব বা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আমরাও তাঁকে সেভাবে সম্মান জানাবাে। যেমন, হুজুরের বেলাদত বা শুভাগমনের আলােচনান্তে দাঁড়িয়ে সালাত-সালাম আরজ করা। তাঁর প্রতি মুহাব্বত ও ভক্তি-শ্রদ্ধা প্রকাশ করা ও তাঁর সুন্নাতসমূহের পূর্ণানুসরণ করা। মূলতঃ তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের নামান্তর। তবে কোন কোন ফকীহগণ আমাদের শরীয়ত তথা বর্তমানেও নবী-ওলী, গাউস-কুতুব, মাতা-পিতা, উস্তাদ-মুরশিদ ও ন্যায়পরায়ন বাদশাহের সামনে সম্মানার্থে সিজদায়ে তাহিয়্যা বা সম্মান সূচক সিজদা পেশ করা বৈধ মর্মে স্বীয় মতামত ব্যক্ত করেছেন। যেমন- হযরত মুফতী আমীনুল হক ফরহাদাবাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত দেলােয়ার হুসাইন মাইজভান্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি স্বীয় কিতাবে কোন কোন ফকীহগণের উক্ত উক্তি ও উদ্ধৃতি পেশ করেছেন। কিন্তু উক্ত মত অধিকাংশ ফকীহগণ সমর্থন করেন নি। বরং ইসলামী শরীয়তে সম্মানসূচক সিজদাকে নাজায়েয ও হারাম বলে অধিকাংশ ফক্বীহগণ ফতওয়া প্রদান

ত মুহাম্মদ রুবেল

রাঙ্গুনীয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ঔপ্রশ্ন ঃ প্রত্যেক সমপ্রদায়ের ও জাতিকে হিদায়ত করার জন্য আল্লাহ তা'আলা নবী রসূল প্রেরণ করেছেন। তার ইশারা পাওয়া যায় সূরা নাহলের ৩৬ নং আয়াতে । এখন প্রশ্ন হলাে- আমাদের এই উপমহাদেশের মধ্যে কোন নবী-রসূল কি এসেছিলেন?

উত্তর ও প্রসিদ্ধ নবী-রসূল যাঁদের নাম পবিত্র কোরআন-হাদীসে দেখা যায়, তাঁদের কেউ পাক-ভারত উপমহাদেশে এসেছিলেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ পাওয়া যায়

। তবে, ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের ব্রাশ নামক এলাকায় পূর্ববর্তী ১৪ জন নবীর মাযার রয়েছে মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে। মনে হয়, তারা মানুষদেরকে হেদায়তের উদ্দেশ্যে অত্র এলাকায় এসেছিলেন। উল্লেখ্য যে, উল্লেখিত নবীদের মাযার শরীফ সিরহিন্দ এ হযরত মুজাদ্দেদে আলফ সানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর মাযার এর নিকটবর্তী । আর আমাদের এ উপমহাদেশে কোন নবীর আগমন না হলেও কোরআন-হাদীস মত কোন অসুবিধা নাই। যেহেতু, সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)'র এ ধরাবুকে শুভাগমন আমরাসহ আরব-অনারব কেয়ামত পর্যন্ত সকল মানব গােষ্ঠির জন্য তাঁর নবুয়ত-রিসালত ও পয়গাম বিস্তৃত। সুতরাং সূরা নাহলের উপরােক্ত আয়াতের সাথে কোন প্রকার দ্বন্দ্ব নাই ।

3 মুহাম্মদ আহমদ ছগীর নােমান

গন্ডামারা, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম ঔপ্রশ্ন ঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সব সময় আবু বকর ছিদ্দীক রদিয়াল্লাহু আনহু থাকতেন। তাঁর বর্ণিত হাদীস এর চেয়ে আবু হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণিত হাদীস সংখ্যা বেশী কেন? দলীলসহকারে জানালে উপকৃত হব।

অ উত্তর ঃ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীকে আকবার রদিয়াল্লাহু আনহু প্রিয়নবী সরকারে আলামীন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সান্নিধ্য ও ছােহবত অনেক অনেক

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা।

১২

উপস্থিতিতে যিয়ারতের আগে নাকি সবাই যিয়ারত করে চলে যাওয়ার পরে। এবং কবর তালব্ধীনের সময় কোন ধরণের দু‘আ পড়তে হয় জানানাের অনুরােধ রইল।

ত্র উত্তর ও কবর তলকীনের ব্যাপারে পবিত্র হাদীস শরীফের প্রমাণ পাওয়া যায়। রসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন

اذ مات احدکم من اخوانكم فسويتم التراب على قبره فليقم احدکم على رأس قبره ثم ليقل يا فلان بن فلانة فانه يسمعه ثم يقول يا فلان بن فلانة فانه يستوی قاعدا ثم يقول یا فلان بن فلانة فانه يقول ارشدنا یرحمک الله ولكن لا تشعرون . فليقل اذكر ما خرجت عليه من الدنيا شهادة أن لا اله الا الله وأن محمدا عبده ورسوله - وانک رضيت بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا و بالقران اماما - فان منکرا و نكيرا يأخذ كل واحد منهما بيدصاحبه ويقول انطلق بنا ماقعدنا عند من لقن حجته. وقال رجل يارسول الله فان لم يعرف أمه قال فينسبه الى امه

বেশী পাওয়ার এবং প্রিয় রসূলের নূরানী জবান মােবারকের হাদীস ও বাণীসমূহ বেশী বেশী শুনার সুযােগ পাওয়ার পরেও নবীজির হাদীসসমূহ কম বর্ণনা করেছেন। প্রথমত: নেহায়ত সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন করার কারণে- যাতে প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামারই হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতির শিকার না হন। দ্বিতীয়ত: নিজেকে ছােট ও তুচ্ছ মনে করার কারণে- অথাৎ এত বিরাট গুরু দায়িত্ব আদায়ের আমি যােগ্য নয়। তৃতীয়ত: অন্যান্য দায়িত্ব আদায় করতে করতে হাদীস বর্ণনা করার বিশাল দায়িত্ব যথাযথ আদায় করা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছেন। চতুর্থত: পরম করুণাময়ের মর্জি যাঁকে যে কাজের জন্য সৃষ্টি করেছেন তা তাঁর জন্য তিনি সহজ করে দিয়েছেন। হাদীস শরীফে প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন এsJI_JsLw -~~ “যাকে যে কাজের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে ঐ সমস্ত কাজ তার জন্য সহজ করে দেয়া হয়েছে।”

| [সুনানি ইবনে মাজাহ] সুতরাং, মহান আল্লাহ্ হযরত আবু হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এক বিশাল খেদমত (হাদীস বর্ণনা) ককূল করেছেন আর ছিদ্দীকে আকবার রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অন্যান্য বিশাল বিশাল খেদমত ককূল করেছেন। এটা প্রভুর কুদরতের লীলা। তদুপরি, প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনেক বেশী বেশী সান্নিধ্য প্রাপ্ত বড় বড় সাহাবায়ে কেরাম হাদীস শরীফ বর্ণনা থেকে নিজেদেরকে সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন স্বরূপ বিরত রেখেছেন। এটা তাঁদের হাদীস না জানার দলিল বা প্রমাণ নয়।

[ইমাম মুসলিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক রচিত মুকাদ্দামায়ে সহীহ মুসলিম শরীফ ও সুনানি ইবনে

মাজাহ শরীফ, ১ম খন্ড ইত্যাদি]। এ মুহাম্মদ আবদুল আলীম

মধ্যম শিকলবাহা, পটিয়া, চট্টগ্রাম ঔপ্রশ্ন ঃ গায়েবানা জানাযা জায়েয হবে কিনা জানালে উপকৃত হব। Lত্র উত্তর ও হানাফী মাযহাব মতে গায়েবানা জানাযা নেই। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে। এটা নিছক অজ্ঞতা। গায়েবানা জানাযা নয় বরং উচিত হবে মৃত ব্যক্তির ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে তাদের জন্য ফাতিহার আয়ােজন করা।

|ওমদাতুল ক্বারী শরহে ছহি বােখারী কৃত: ইমাম বদরুদ্দীন আয়নী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি ইত্যাদি।

| (si ki 213) -$1 = ৩১৫ ৫ ২ -$ls অর্থাৎ- নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন- তােমাদের কোন মুসলমান ভাই মারা গেলে তাকে কবরস্থ করে উপরে মাটি ঠিকঠাক করে দিয়ে তােমাদের কেউ যেন তার শিয়রের কাছে দাঁড়িয়ে এভাবে আহবান করে বলে, হে অমুক মহিলার পুত্র অমুক! (লােকটি মায়ের নাম এবং তার নাম ধরে ডাক দেবে)। তখন মৃত লােকটি ঐ আওয়াজ শুনতে পাবে। একই ভাবে দ্বিতীয়বার ডাক দিবে তখন সে সােজা হয়ে বসবে। তারপর আবার ডাক দিলে সে কবরের ভিতর থেকে বলবে আমাকে কিছু উপদেশ দিন; আল্লাহ তায়ালা আপনাকে রহম করুন। নবীজি এরশাদ করেন- যদিও তােমরা তা বুঝতে পারবে না। অতঃপর শিয়রের কাছে দাঁড়ানাে ব্যক্তি যেন বলে- তুমি দুনিয়া হতে যে কালেমায়ে শাহাদাত নিয়ে বিদায় নিয়েছ তা স্মরণ করাে। আর স্মরণ করাে এ কথা যে, আমি রব হিসেবে আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট এবং দ্বীন হিসেবে ইসলামের উপরে রাজি; নবী হিসেবে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর সন্তুষ্ট এবং পথ প্রদর্শক হিসেবে পবিত্র কুরআনের উপর সন্তুষ্ট। নবীজি এরশাদ করেন- তালব্ধীনের পর মুনকার-নাকীর ফেরেস্তাদ্বয় একে অপরের হাত ধরে বলাবলি করে চলাে। যাকে নাজাতের দলিল শিক্ষা দেয়া হচ্ছে তার কাছে বসে থেকে লাভ নেই। জনৈক সাহাবী আরজ করলেন- ইয়া রসূলাল্লাহ! যদি মৃত ব্যক্তির মায়ের নাম জানা না থাকে তবে, কার পুত্র বলবাে? হুজুর বললেন- সকলের মা হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম’র দিকেই সম্পর্ক করে বলবে হে হাওয়ার পুত্র অমুক!

-তাবরানী]

✉ মুহাম্মদ আবু ছৈয়দ

কুরাংগিরী, শােভনদন্ডী, পটিয়া

প্রশ্নঃ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নিয়ম অনুযায়ী মুর্দাকে কবরে দাফন করার পর কবর তালকীন করা হয়। এই তালকীনের নিয়ম কোন ধরণের হবে? এটা কি সবার

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

8

সুতরাং, দাফনের পর যিয়ারত করবে আর যিয়ারতের পর একজন পরহেজগার আলেমে দ্বীন উপরােক্ত নিয়মে কবর তালকীন করবেন। এটা মুস্তাহাব ও পূণ্যময়।

শারহুস সুদূর, কৃত: ইমাম সুয়ূতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও রদুল মুহতার, কৃত: ইমাম ইবনে আবেদীন শামী

রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইত্যাদি) উল্লেখ্য থাকে যে, উপরােক্ত নিয়ম ছাড়া ফিকহ ফতােয়ার কিতাবে তালকিন করার সময় অন্য ইবারত দিয়েও তালকিনের নিয়মসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে। সুতরাং উক্ত নিয়ম সমূহের যে কোন নিয়মেও তালকিন করা যায় অসুবিধা নাই।।বাহারে শরিয়ত ইত্যাদি।

সময়ের উপরেই প্রবর্তিত। বিয়ে-শাদী, জোড়া ইত্যাদির ক্ষেত্রে যদি দিন-তারিখ ঠিক না করে, তাহলে সুষ্ঠুভাবে আঞ্জাম দেয়ার কোন উপায়ই নেই। সুতরাং, মৃত ব্যক্তির মাগফিরাত কামনায় দিন-ক্ষণ ঠিক করে ফাতিহাখানী, জিয়াফত, ঈসালে সাওয়াব ইত্যাদি করা যাবে না মর্মে বকাবকি করা বর্তমান বিজ্ঞানের চরম উন্নতির যুগে হাস্যকর ও পাগলামী ছাড়া আর কী! এ সমস্ত বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের নিমিত্তে বাজে বই-পুস্তক না পড়ে হক্কানী পারদর্শী সুন্নী অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের নির্ভরযােগ্য বই-পুস্তক, যেমন- গুলজারে শরীয়ত, আমলে শরীয়ত, কানুনে শরীয়ত এবং মুফতী আমজাদ আলী রহমাতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক রচিত ‘বাহারে শরীয়ত’ ইত্যাদি পড়ার পরামর্শ রইল।।

ঐ মুহাম্মদ জাবের আহমদ | মহিরা, পটিয়া, চট্টগ্রাম। ঔপ্রশ্ন ও হযরত আলী রদিয়াল্লাহু আনহুর প্রকৃত মাযার শরীফ কোথায় অবস্থিত জানালে বাধিত হব। SA উত্তর ঃ হযরত আলী রদিয়াল্লাহু আনহুর মাযার ইরাকের নজফ নামক এলাকায় অবস্থিত। এটাই প্রসিদ্ধ মত। তবে মাওলা আলী রদিয়াল্লাহু আনহু’র দাফন ও মাযারে পাক নিয়ে ঐতিহাসিকগণের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। সাফীনায়ে নূহ, কৃত: খতীবে পাকিস্তান আল্লামা শফী উকাড়ভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইত্যাদি।

ঐ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম পারভেজ

কদলপুর, রাউজান, চট্টগ্রাম। প্রশ্ন : আমি মাকছুদুল মােমেনিন বইয়ে পড়েছি, “মুর্দার রূহের শাফায়াতের জন্য ৪/১০ ইত্যাদি কোন তারিখ ঠিক রাখিয়া খাওয়ানাে হারাম।” যদি এ রকম তারিখ ঠিক রাখিয়া খাওয়ানাে হারাম হয়, তাহলে আমরা যে, মৃত মানুষের মেজবান তারিখ ঠিক করিয়া থাকি তা কি হারাম হবে?

✉ উত্তর ও দিন তারিখ নির্ধারণ করে কোন আমল করা বা ইবাদত-বন্দেগী করা বা ঈসালে সাওয়াবের মাহফিল করা নিশ্চয়ই ঐ কাজের শৃঙ্খলার প্রমাণ। সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি আর শৃঙ্খলার অনুসরণ না করলে কোন কাজেই সফলতা আসে

। ইসলামের প্রতিটি কর্মই নিয়মতান্ত্রিক এবং সুশৃঙ্খল। বিশৃঙ্খলার সুযােগ ইসলামে নেই। সুতরাং দিন তারিখ ঠিক না করে ইসলামের কোন কাজ করা মানে ইসলামকে শৃঙ্খলা বিবর্জিত ধর্মে রূপান্তরের নামান্তর। মৃত ব্যক্তির ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে দিন তারিখ ঠিক করে কোন জেয়াফতের আয়ােজন করা হারাম এই জাতীয় ফতােয়া নিঃসন্দেহে গােমরাহী ও হাস্যকর। ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলি যেমন- পাঞ্জেগানা ফরজ নামায, মাহে রমজানের ফরজ রােযা, হজ্ব, কোরবানী, জুমুআ, দু'ঈদের নামায ও আশুরা ইত্যাদি নির্ধারিত তারিখ ও

✉ জনৈক ব্যক্তি

প্রশ্নঃ আমাদের আলিমগণ বলে থাকেন- ওহাবীদের সাথে সুন্নী আক্বীদার লােকের কোন আত্মীয়তা করা ঠিক নয় এবং তাদের পেছনে আদায়কৃত নামায শুদ্ধ হবে না। আমাদের প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহাবীদেরকে ভালবাসেন না। আশা করি এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলােচনা তুলে ধরবেন।

ল উত্তর ও কেবল ওহাবী ফেরকা নয় বরং বাতিল যত মতবাদী রয়েছে তাদেরকে হাদীসের পরিভাষায় আহলে বিদআত বলা হয় অর্থাৎ বিদআত ফিল আকায়েদ তথা আকীদাগত ভ্রান্ত। সুতরাং এদের সাথে সকল ঈমানদার মুসলমানদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। এ ব্যাপারে পবিত্র হাদীস শরীফে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। যেমন- সহীহ মুসলিম শরীফে আহলে বিদআত হতে দূরে থাকার হাদীস বর্ণিত রয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত নবী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন- -a AL_ _ _ অর্থাৎ- তােমরা তাদের থেকে দূরে থেকো আর তারাও যেন তােমাদের থেকে দূরে থাকে; যেন তােমাদেরকে বিভ্রান্ত করতে না পারে এবং তােমাদেরকে ফিতনায় জড়াতে

পারে। আবু দাউদ শরীফে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হাদীস শরীফে আরাে একটু বাড়িয়ে বলা হয়েছে । নবীজী এরশাদ করেন- ১৬। '

- 94493199313-৯১; অর্থাৎ তারা রােগাক্রান্ত হলে তাদের দেখতে যেয়ােনা আর তারা মৃত্যু বরণ করলে জানাযায় উপস্থিত হয়াে না। হযরত আনাস রদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত অপর এক হাদীস শরীফে বর্ণিত রয়েছেরসূলে আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন

الاتجالسوهم ولاتشاربوهم ولا تواكلوهم ولاتنا کحوهم

অর্থাৎ “তােমরা তাদেরকে বসতে দিও না, তাদেরকে কিছু পান করতে দিও না,

যুগ জিজ্ঞাসা

১}

যুগ জিজ্ঞাসা

ইকৃতিদা করবে। আর জেনে শুনে বাতিল আক্বীদা পােষণকারী ইমাম ও ভন্ড মওলভীর পেছনে ইকৃতিদা করা যাবে না। না জেনে হঠাৎ করে ফেললে অবগত হওয়ার সাথে সাথে উক্ত নামায পুনরায় আদায় করবে এবং আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করবে।

মুহাম্মদ ফয়েজ ইসলাম

তাদেরকে আপ্যায়ন করিও না এবং তাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না।” ইবনে হিব্বান রদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনায় রয়েছে- ৯ : Le অর্থাৎ ‘তাদের সাথে নামায পড়িও না। আর গুনিয়াতুত তালেবীন কিতাবে রয়েছে

L১ অর্থাৎ- “তাদেরকে সালাম দেয়া যাবে না।” এভাবে অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে, যাতে বাতিল মতবাদীদের সাথে সম্পর্ক রাখা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেহেতু তাদের ভ্রান্ত আক্বীদা, আল্লাহ এবং আল্লাহর নবী-রসূলগণের শানে তাদের কটুক্তি ও বেআদবীসমূহ কুফর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। সুতরাং, কোন প্রকৃত ঈমানদার জেনে শুনে তাদেরকে কোন ভাবেই সমর্থন করতে বা তাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারে না। | [এ ব্যাপারে গুনিয়াতুত তালেবীন, কৃত: পীরানে পীর গাউসুল আজম শায়খ সৈয়্যদ আবদুল কাদের জিলানী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু, তাফসীরাতে আহমদিয়া, কৃত: শায়খ মােল্লা জিওয়ান রহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং বাগে

খলীল, ১ম খন্ড দেখার অনুরােধ রইল।] এ শাহিনুর আখতার চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম প্রশ্ন : অনেক সময় আমাদের বাসায় এবং দেশের বাড়িতে তবলীগ জামাতের মহিলারা এসে আমাদেরকে ২/৪ দিনের ছিল্লায় যেতে বলে এবং সালােয়ার কামিজ পড়ে নামায না পড়লে নামায নাকি হবে না বলে জানায়। মহিলাদের মাঝে অনেকেই আছে বয়স্ক এবং মােটা, এই অবস্থায় সালােয়ার কামিজ পড়ার জন্য শরীয়তের বিধান কি? জানালে উপকৃত হবাে। Lল্প উত্তর ও ইসলামের সঠিক রূপরেখা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত। আর ওহাবী মতবাদ হলাে আহলে সুন্নাত এর পরিপন্থী বাতিল ফিরকা। সুতরাং পুরুষ হােক বা নারী হােক কারাে জন্য এই মতবাদে বিশ্বাসী হয়ে প্রচলিত ইলিয়াছী ও ওহাবী-তুবলীগে অংশ। গ্রহণ করা, ছিল্লা দেয়া ইত্যাদি শরীয়ত সম্মত নয়। কারণ, এদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয়। উল্লেখ্য যে, মহিলাদের জন্য সেলােয়ার কামিজ, শাড়ি, পেটিকোট ইত্যাদি পরিধানের অনুমতি রয়েছে। তবে এমন পােশাক পরিধান করবে, যা দ্বারা সতর সম্পূর্ণ ঢেকে যায় এবং শরীর উন্মুক্ত না হয় এবং শরীরের আকৃতি-অবয়ব অস্পষ্ট থাকে।

-(মিশকাত ও মিরকাত, লেবাস অধ্যায়) ঐ মুহাম্মদ মাহমুদুল হক

পটিয়া, চট্টগ্রাম ঔপ্রশ্ন ও সুন্নীদের সাথে ঝগড়া-ঝাটির মাধ্যমে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। সেই মসজিদের কমিটি হচ্ছে- ওহাবী-তাবলীগী এবং সুন্নী ইমাম সাহেব রাখলে কি আমরা নামায আদায় করতে পারব? এই ব্যাপারে জানালে আমরা আল্লাহর রহমতে উপকৃত

ঔপ্রশ্ন ঃ হাশরের ময়দানে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবেন। তবে যে উম্মতরা জঘণ্য অপরাধ করেছে, শিরক-কুফরী এবং নবী-অলীর শানে বেআদবী করছে এরাও কি নবীজির সুপারিশ পাবে? [ উত্তর ও পবিত্র হাদীস শরীফে নবীয়ে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন- (১১ + 1 ) j

a ১ আমার উম্মতের মধ্যে কবিরাগুনাহকারীদের জন্য আমার শাফায়াত রয়েছে। অর্থাৎ হাশরের ময়দানে নবীজি গুনাহগার উম্মতের জন্য শাফায়াত করবেন। কিন্তু যারা কুফরী করে, শিরক করলে তারাতাে মুসলমানই না। বরং ঈমানের গন্ডি থেকে তারা বেরিয়ে গেছে। মনে রাখতে হবে, নবীর উম্মতের মধ্যে যারা ঈমানদার তাদের জন্যই নবীজি সুপারিশ করবেন। এটা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অন্যতম আকীদা। মুশরিক, কাফির, মুনাফিক ও নবী-অলীগণের শানে কটুক্তিকারীদের জন্য হাশরের ময়দানে আল্লাহর দয়া

ও নবীজির সুপারিশ হবে না।

(নিবরাছ, কৃত: আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল আজিজ ফরহারভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি; শাফাআতে মুস্তফা, কৃত: ইমাম

|

আহমদ রেযা রহমাতুল্লাহি আলাইহি; সহীহ বুখারী, শাফাআতের হাদীস ইত্যাদি।] ঔপ্রশ্ন ঃ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'র রওজা মােবারকে কাউকে নাকি ঢুকতে দেয়া হয় না, কি জন্য দেয়া হয় না জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

এ উত্তর ও বর্তমানে সৌদি আরবে যারা ক্ষমতা দখল করে আছে তারা মুহাম্মদ বিন আবদুল ওহাব নজদীর বাতিল আকীদায় বিশ্বাসী। যারা নবীজির তাজিমকে সহ্য করতে পারে না। নবীপ্রেমিক মুসলমানদেরকে তারা পছন্দ করে না। এটা মূলত: ইহুদি-নাসারার ষড়যন্ত্রের অংশ, যার মাধ্যমে প্রিয়নবীর প্রেম ও মুহাব্বত থেকে মুসলমানদেরকে দূরে সরানাের অপপ্রয়াস। তাই, তারা ঈমানদারগণকে প্রিয় নবীর রওজা শরীফ থেকে দূরে সরানাের চেষ্টায় সর্বদা রত থাকে। তবে, যিয়ারতকারী গণের উচিত যেন প্রিয় রসূলের রওজা শরীফ যিয়ারতের সময় জালি শরীফ থেকে একটু দূরে অবস্থান করে এবং নেহায়ত তাজিম ও ভক্তি-শ্রদ্ধাসহকারে প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র দরবারে সালাত-সালাম পেশ করে যিয়ারতের আদবের প্রতি লক্ষ্য রাখে। যেন প্রিয়নবীর দুয়ারে আদবের পরিপন্থী কিছু না হয়।

রদুল মােহতার কৃত, ইমাম ইবনে আবেদীন শামী রহ

হব।

উত্তর ঃ যিনি সুন্নী ইমাম ও বিশুদ্ধ আক্বীদার অনুসারী অবশ্যই তাঁর পিছনে

যুগ জিজ্ঞাসা

যুগ জিজ্ঞাসা

১৮

জিহাদ করার প্রেরণা ও ভালবাসা পাথির্ব সকল বস্তু বিষয়ের ভালবাসা অপেক্ষা বেশি হতে হবে। অন্যথায় আল্লাহর শাস্তির অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। আর শাস্তিরও কোন সুনির্দিষ্ট করে বলে দেয়নি। তাই শাস্তির ধরণ ও প্রকৃতি এও হতে পারে যে, শত্রুর মােকাবেলা করা আমরা ছেড়ে দেব আর হাত-পা বেঁধে কাফিররা মুসলিম বিশ্বের মুসলমানগণকে 

Tuesday, 2 October 2018

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর পিতার নাম তারাহ, আযর ওনার চাচা ছিলঃ


Confusion :
হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-

ﻟﻢ ﺍﺯﻝ ﺍﻧﻘﻞ ﻣﻦ ﺍﺻﻼﺏ ﺍﻟﻄﺎﻫﺮﻳﻦ ﺍﻟﻲ ﺍﺭﺣﺎﻡ ﺍﻟﻄﺎﻫﺮﺍﺕ

অর্থ: আমি সর্বদা পূত-পবিত্র নারী ও পুরুষদের মাধ্যমেই স্থানান্তরিত হয়েছি। ”
Reference :
★ তাফসীরে কবীর ১৩ তম খন্ড ৩৯ পৃষ্ঠা।

এর থেকে প্রমানিত হয়, রাসুলের বংশ সিলসিলায় কোন কাফির-মুশরিক ছিল না। সুতরাং ইব্রাহীম (আ) এর পিতাও কাফির হতে পারেন না।

হাদিস থেকে প্রমাণঃ

Hadith 1:

বিশুদ্ধ সনদ সহকারে একাধিক তাফসীর শরীফের মাধ্যমে সূরা আনআম ৭৪ নং আয়াত শরীফের
তাফসীর থেকে পাওয়া যায় –

ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﺣﻤﻴﺪ ﻭ ﺳﻔﻴﺎﻥ ﺍﺑﻦ ﻭﻛﻴﻊ ﻗﺎﻻ ﺣﺪﺛﻨﺎ ﺟﺮﻳﺮ ﻋﻦ ﻟﻴﺚ ﻋﻦ ﻣﺠﺎﻫﺪ ﻗﺎﻝ ﻟﻴﺲ
ﺍﺯﺭ ﺍﺑﺎ ﺍﺑﺮﺍﻫﻴﻢ

অর্থ : হযরত আবু জাফর মুহম্মদ বিন জারীর ত্বাবারী (রহ) বলেন- 
আমাদের কাছে হাদীস বর্ননা করেছেন-
→ হযরত মুহম্মদ বিন হুমায়িদ (রহ) ও 
→ হযরত সুফিয়ান বিন ওয়াকী (রহ)। 
উনারা দু’জন বলেন, আমাদের কাছে 

হযরত জারীর (রহ)

 তিনি হযরত লাইছ (রহ) থেকে, 

তিনি হযরত মুজাহিদ (রহ) থেকে । তিনি বলেন- 
হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম উনার পিতা আযর ছিলো না । ”
Reference :
★ জামিউল বয়ান ফী তফসীরিল কুরআন ( তাফসীরুত
ত্বাবারী) ৫ম খন্ড ১৫৮ পৃষ্ঠা ।
ওনার ওফাত: ৩১০ হিজরী।


Hadith 2 :


ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﺍﻟﺤﺴﻴﻦ ﻗﺎﻝ ﺣﺪﺛﻨﺎ ﺍﺣﻤﺪ ﺍﺑﻦ ﺍﻟﻤﻔﻀﻞ ﻗﺎﻝ ﺣﺪﺛﻨﺎ ﺍﺳﺒﺎﻁ ﻋﻦ ﺍﻟﺴﺪﻱ ﻗﺎﻝ
ﻭﺍﺫ ﻗﺎﻝ ﺍﺑﺮﺍﻫﻴﻢ ﻻﺑﻴﻪ ﺍﺯﺭ ﻗﺎﻝ ﺍﺳﻢ ﺍﺑﻴﻪ ﻭﻳﻘﺎﻝ ﻻ ﺑﻞ ﺍﺳﻤﻪ ﺗﺎﺭﺡ ﻭﺍﺳﻤﺎ ﺍﻟﺼﻨﻢ ﺍﺯﺭ ﻳﻘﻮﻝ
ﺍﺗﺘﺨﺬ ﺍﺯﺭ ﺍﺻﻨﺎﻣﺎ ﺍﻟﻬﺔ
অর্থ: হযরত ইমাম জারীর ত্ববারী (রহ) বলেন, আমাদের
কাছে হাদিস বর্ননা করেছেন-

হযরত মুহম্মদ বিন হুসাইন (রহ) তিনি বলেন আমাদের কাছে 

হযরত আহমদ বিন মুফাদ্দাল (রহ)। তিনি বলেন আমাদের
কাছে

হযরত আসবাত রহমাতুল্লাহি আলাইহি , 

হযরত সুদ্দি রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার
থেকে । তিনি ﻭﺍﺫ ﻗﺎﻝ ﺍﺑﺮﻫﻴﻢ ﻻﺑﻴﻪ ﺍﺯﺭ এই আয়াত এর
তাফসীরে বলেন, 
পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে আযরকে বলা হয়েছে । কিন্তু ফয়সালা এটাই যে, বরং উনার
পিতার নাম ছিলো ” তারাহ” আলাইহিস সালাম। আর আযর
ছিলো একটি মূর্তির নাম। ”

Reference :
★ তাফসীরুত ত্বাবারী ৫ম খন্ড ১৫৮ পৃষ্ঠা।


Hadith 3 :



ﺍﺧﺮﺝ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ ﻭ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺣﻤﻴﺪ ﻭ ﺍﺑﻦ ﺟﺮﻳﺮ ﻭ ﺍﺑﻦ ﺍﻟﻤﻨﺬﺭ ﻭ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﺎﺗﻢ ﻋﻦ ﻋﻦ
ﻣﺠﺎﻫﺪ ﻗﺎﻝ ﺍﺯﺭ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﺑﺎﺑﻴﻪ ﻟﻜﻨﻪ ﺍﺳﻢ ﺻﻨﻢ

অর্থ : 
→ হযরত ইবনে আবী শয়বা (রহ) , 
→ হযরত 
আব্দুল্লাহ বিন হুমাইদ (

রহ)

→ হযরত ইবনু জারীর (
রহ)


→ হযরত ইবনে মুনজির (রহ)

→ইবনে আবী হাতিম (রহ ) উনারা সকলেই


হযরত মুজাহিদ রদ্বিয়াল্লাহু

আনহু উনার থেকে বর্ননা করেছেন। তিনি বলেন,
" আযর 
হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম উনার পিতা ছিলো না। বরং আযর

ছিলো একটি মূর্তির ( বা মূর্তিপুজকের ) নাম। ”

Reference :


★ আদ দুররুল মানছুর লিল জালাসুদ্দীন

সূয়ুতি রহমাতুল্লাহি আলাইহি ৩য় খন্ড ২৩ পৃষ্ঠা ।


Hadith 4:

হদীস শরীফে বর্নিত আছে-
ﺣﺪﺛﻨﺎ ﺍﺑﻮ ﺯﺭﻋﺔ ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻣﻨﺠﺎﺏ ﺍﺧﺒﺮﻧﺎ ﺑﺸﺮ ﺑﻦ ﻋﻤﺎﺭﺓ ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺭﻭﻕ ﻋﻦ ﺍﻟﻀﺤﺎﻙ ﻋﻦ ﺍﺑﻦ
ﻋﺒﺎﺱ ﻗﺎﻝ ﺍﻥ ﺍﺑﺎ ﺍﺑﺮﺍﻫﻴﻢ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﺍﺳﻤﻪ ﺍﺯﺭ ﺍﻧﻤﺎ ﻛﺎﻥ ﺍﺳﻤﻪ ﺗﺎﺭﺡ
অর্থ : হযরত আবী হাতিম (রহ) 
বলেন,আমাদের কাছে হাদীস 
বর্ননা করেছেন -




হযরত আবু যুরয়াহ (
রহ)
। তিনি বলেন, আমাদের কাছে 




হযরত মিনজাব (
রহ)

তিনি বলেন, আমাদের কাছে

হযরত বিশর বিন আম্মারাহ (রহ)

হযরত আবূ রাওক্ব (রহ) থেকে
, তিনি
↓ 
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু
আনহু থেকে খবর দিয়েছেন। তিনি বলেন, 
"হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম উনার পিতা উনার নাম কখনোই আযর
ছিলো না। নিশ্চয়ই উনার পিতার নাম ছিলো হযরত তারাহ
আলাইহিস সালাম। ” 
Reference :
★ তাফসীরু ইবনে আবী হাতিম ৪র্থ খন্ড ১৩২৫ পৃষ্ঠা ।




Calculation :


এ প্রসঙ্গে আরো ইরশাদ হয়-
ﺍﻥ ﺟﻤﻴﻊ ﺍﺑﺎﺀ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻣﺴﻠﻤﻴﻦ ﻭ ﺣﻲﺀﺫ ﻳﺠﺐ ﺍﻟﻘﻄﻊ ﺑﺎﻥ ﻭﺍﻟﺪ
ﺍﺑﺮﺍﻫﻴﻢ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻛﺎﻥ ﻣﺴﻠﻤﺎ
অর্থ: নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্বপুরুষ উনারা সকলেই পরিপূর্ণ
মুসলমান ছিলেন। এ থেকে অকাট্য ভাবে প্রমানিত হয় যে,
নিশ্চয়ই ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম উনার পিতা মুসলমান ছিলেন। ”
দলীল-
★ তাফসীরে কবীর ১৩/৩৮

এ প্রসঙ্গে স্বয়ং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
ইরশাদ করেন–
ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﺨﻠﻖ ﻓﺠﻌﻠﻨﻲ ﻓﻲ ﺧﻴﺮﻫﻢ ﺛﻢ ﺟﻌﻠﻬﻢ ﻓﺮﻗﺘﻴﻦ ﻓﺠﻌﻠﻨﻲ ﻓﻲ ﺧﻴﺮﻫﻢ ﻓﺮﻗﺔ ﺛﻢ
ﺟﻌﻠﻬﻢ ﻗﺒﺎﺀﻝ ﻓﺠﻌﻠﻨﻲ ﻓﻲ ﺧﻴﺮﻫﻢ ﻗﺒﻴﻠﺔ ﺛﻢ ﺟﻌﻠﻬﻢ ﺑﻴﻮﺗﺎ ﻓﺠﻌﻠﻨﻲ ﻓﻲ ﺧﻴﺮﻫﻢ ﺑﻴﺖ ﻓﺄﻧﺎ
ﺧﻴﺮﻛﻢ ﺑﻴﺘﺎ ﻭ ﺧﻴﺮﻛﻢ ﻧﻔﺴﺎ
অর্থ: আল্লাহ পাক তামাম মাখলুক
সৃষ্টি করে আমাকে সর্বোত্তম সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত
করেছেন। এরপর তাদের দুই ভাগে বিভক্ত
করে আমাকে উত্তম ভাগে রেখেছেন
এবং আমাকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম
গোত্রে পাঠিয়েছেন। এবং সে গোত্রকে বিভিন্ন
পরিবারে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে সর্বোত্তম
পরিবারে প্রেরন করেছেন। সূতরাং আমি ব্যক্তি ও বংশের দিক
দিয়ে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম । ”
দলীল-
★ তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২০১ পৃষ্ঠা । হাদীস শরীফ
৩৬০৮ ।
★ মুসনাদে আহমদ ১ম খন্ড ২২০ পৃষ্ঠা । হাদীস শরীফ ১৭৯১
এসকল হাদীস শরীফ উনার ব্যাখায় বলা হয়েছে–
ﻓﻼ ﻳﻤﻜﻦ ﺍﻥ ﻳﻜﻮﻥ ﻛﺎﻓﺮﺍ ﻓﻲ ﺳﻠﺴﻠﺔ ﺍﺏﺀﻩ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ
অর্থ: হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ব পুরুষ
উনাদের সিলসিলার মধ্যে কেউই কাফির হওয়া সম্ভব নয়। ”
দলীল-
★ তাফসীরে মাজাহারি ৪/৩০৮
Mawahib al-Ladunniyyah:  
Ibn Abbas says: "I transferred you from the generation of one prophet to the generation of another prophet. If a father had two sons, the Messenger of Allah descended from the one that had the prophethood."

The following is stated in a hadith: "You descend from the best men of each century." [Bukhari]

"Allah chose Kinana among the sons of Ismael, the Quraysh among the sons of Kinana and sons of Hashim among the Quraysh. And He chose me among them." [Muslim]

"I descend from the best people. My ancestors are the best people." [Tirmidhi]

"Allah chose me among the distinguished people of Arabia. I descend from the best people." [Tabarani]

"None of my grandparents committed fornication. I descend from the best fathers and clean mothers. If one of my grandfathers had two sons, I descended from the better one." [Mawahib]

"All of my ancestors beginning from Hazrat Adam were married couples. I am the best of you in terms of ancestors." [Daylami]

"I am the most honorable person among people. I am not saying it in order to boast." [Daylami]




    

Saturday, 8 July 2017

Who was the Father of ibrahim? ইব্রাহীম (আ) এর পিতা কে ছিলেন?





The Prophet Ibrahim (may Allah’s peace and blessings descend upon our Prophet Muhammad and upon him and both their families) was the son of Terah. This is mentioned in Genesis 11:26-27, and Genesis 11:31.

Ibn Abbas- radi Allahu anh– are agreed that the name of Ibrahim’s father is Tareh, and that the People of the Book, the Jews and the Christians.


Ibrahim (as) was the son of Tarakh. When Tarakh was 75 years of age, Ibrahim (as) was born to him.

Sunni reference: al-Bidaya wan Nahaya, by Ibn Katheer, v 1 p 139


in his Commentary of the Qur’an he states that ‘Azar’ was NOT the father of Ibrahim (as).

Sunni references:

- History of al-Tabari, v 1 p 119
- Tafsir Tabari, by Ibn Jarir al-Tabari, v 7 p 158



Friday, 7 July 2017

আল-কোরআন থেকে ۞ শানে রিসালাত ۞


আল্লাহ পাক ঘোষণা দেন: “আর (হে হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ! আমি আপনার স্মরণকে সমুন্নত করেছি।”
(সূরা ইনশিরাহ, ৯৪:৪)



ব্যাখ্যাঃ

আল্লাহ তার হাবিব (সা:) এর নাম -----


---কালেমা

---আল-কুরআন 

---আযান

---খুতবা 

---নামাজ 

---৭ আসমানের স্তরে স্তরে 

---সিদ্রাতুল মুন্তাহার পাতায় পাতায় 

---জান্নাতের প্রত্তেক দরজায়

---সকল ফেরেশ্তাদের চুখের মনিতে ওনার নাম মুবারাক অংকিত রেখেছেন।

---এমনকি স্বয়ং খোদা তায়ালা রাসুলের উপর দুরুদ পড়েন (আহযাব ৫৬)

---যেখানে আল্লাহর নাম নেয়া হয় সেখানে রাসুলের মুহাব্বতে ওনার নাম স্মরণ করা হয়।

এভাবে তিনি তার হাবিবের স্বরণকে সমুন্নত করেছেন।




রাসূল সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য রহমতস্বরুপ। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)

মুমিনদের জন্য আল্লাহর পরম অনুগ্রহ রাসূলকে পাওয়া।
(সূরা ইমরান, আয়াত: ১৬৪)

আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত প্রাপ্তিতে আনন্দ উৎসব কর এবং এর মধ্যে রয়েছে অশেষ কল্যান।
(সূরা ইউনুছ, আয়াত: ৫৮)

রাসূলের হওয়াই আল্লাহর হওয়া ।
(সূরা নিসা, আয়াত: ৮০)

নবী মুমিনদের প্রাণের চেয়েও নিকটতম ও প্রিয়তম। 
(সুরা আহযাব, আয়াতঃ ৬)

"তোমরা পরস্পর নিজেদের যেভাবে সম্বোধন কর আল্লাহর মহান রাছুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সেভাবে সম্বোধন করবে না।" 
(সূরা নূর, আয়াতঃ ৬৩)

__________________
Sura Hozrat : 1-5
"01

মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন ও জানেন।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ وَلَا تَجْهَرُوا لَهُ بِالْقَوْلِ كَجَهْرِ بَعْضِكُمْ لِبَعْضٍ أَن تَحْبَطَ أَعْمَالُكُمْ وَأَنتُمْ لَا تَشْعُرُونَ

02

মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না।

إِنَّ الَّذِينَ يَغُضُّونَ أَصْوَاتَهُمْ عِندَ رَسُولِ اللَّهِ أُوْلَئِكَ الَّذِينَ امْتَحَنَ اللَّهُ قُلُوبَهُمْ لِلتَّقْوَى لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ

03

যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

إِنَّ الَّذِينَ يُنَادُونَكَ مِن وَرَاء الْحُجُرَاتِ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ

04

যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।

وَلَوْ أَنَّهُمْ صَبَرُوا حَتَّى تَخْرُجَ إِلَيْهِمْ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ


05

যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা-ই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن جَاءكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَأٍ فَتَبَيَّنُوا أَن تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُوا عَلَى مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ

___________________ (সুরা হুজরাত ১-৫)


"নিশচই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে সম্মানিত নূর (রাসুল) ও কিতাব (কোরআন) এসেছে।
(সুরা মায়েদা আয়াতঃ ১৫।)

তফসীরঃ


আল্লাহতায়ালা ছাড়া কোন পরম অস্ত্বিত্ত্ব, মূল সত্য ও প্রকৃত শক্তি নেই, সে পরম সত্য শক্তি ও মহাসত্ত্বার রেছালাত, সর্বময় মূল প্রতিনিধিত্ব, সম্পর্ক, নূর ও রহমতের ধারক বাহক সংযোগ মহান রাসুল। আল্লাহতায়ালার মহান পবিত্র সত্ত্বা তাঁর রাসুল ব্যতীত সবার জ্ঞান, চিন্তা ও কল্পনার উর্ধেব, আল্লাহতায়ালার নূর বলতে প্রিয়নবীকেই বুঝায়। সর্ব সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহতায়ালা নূররূপে প্রিয়নবীকে তৈরি করেছেন, নিজ নূরে নূরানী করেছেন, সে নূর থেকেই সব অস্তিত্ত্ব ও জীবন দিয়েছেন, সে নূর থেকে সবাইকে আলোকিত করেছেন। 
এ জন্য এবং আরো অনেক কারনে প্রিয়নবীই জীবনের উৎস ও মূল। 

(তফসিরে রূহুল মায়ানী ১ম খণ্ড ২১৭ পৃষ্ঠা, ২য় খণ্ড ৯৭ পৃষ্ঠা, তফসিরে রূহুল বায়ান)



"হে ঈমানদারগণ! ‘রাইনা’ বলো না বরং ‘উন্‌যুরনা’ বলো এবং মনোযোগ সহকারে কথা শোনো। এই কাফেররা তো যন্ত্রণাদায়ক আযাব লাভের উপযুক্ত।“[সূরা বাকারাহ ১০৩ – ১০৪]"

তফসীরঃ

ইহুদিরা কখনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মজলিসে এলে অভিবাদন, সম্ভাষণ ও কথাবার্তার মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য সকল পদ্ধতিতে নিজেদের মনের ঝাল মিটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতো। দ্ব্যর্থবোধক শব্দ বলা, উচ্চস্বরে কিছু বলা এবং অনুচ্চস্বরে অন্য কিছু বলা, বাহ্যিক ভদ্রতা ও আদব-কায়দা মেনে চলে পর্দান্তরালে রসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অবমাননা ও অপমান করার কোন কসরতই বাকি রাখতো না। পরবর্তী পর্যায়ে কুরআনে এর বহু দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে মুসলমানদেরকে একটি বিশেষ শব্দ ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। এ শব্দটি বহু অর্থবোধক। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আলোচনার সময় ইহুদিদের যখন একথা বলার প্রয়োজন হতো যে, থামুন বা ‘কথাটি আমাদের একটু বুঝে নিতে দিন’ বা তখন তারা ‘রাইনা’ বলতো। এ শব্দটির বাহ্যিক অর্থ ছিল, ‘আমাদের একটু সুযোগ দিন’ বা ‘আমাদের কথা শুনুন।’ কিন্তু এর আরো কয়েকটি সম্ভাব্য অর্থও ছিল। যেমন হিব্রু ভাষায় অনুরূপ যে শব্দটি ছিল তার অর্থ ছিলঃ ‘শোন, তুই বধির হয়ে যা।’ আরবী ভাষায়ও এর একটি অর্থ ছিল, ‘মূর্খ ও নির্বোধ’। আলোচনার মাঝখানে এমন সময় শব্দটি প্রয়োগ করা হতো যখন এর অর্থ দাঁড়তো, তোমরা আমাদের কথা শুনলে আমরাও তোমাদের কথা শুনবো। আবার মুখটাকে একটু বড় করে ‘রা-ঈয়ানাও (আরবী) বলার চেষ্টা করা হতো। এর অর্থ দাঁড়াতো ‘ওহে, আমাদের রাখাল!’ তাই মুসলমানদের হুকুম দেয়া হয়েছে, তোমরা এ শব্দটি ব্যবহার না করে বরং ‘উন্‌যুরনা’ বলো। এর অর্থ হয়, ‘আমাদের দিকে দেখুন ’ ‘আমাদের প্রতি দৃষ্টি দিন’ অথবা ‘আমাদের একটু বুঝতে দিন।’ এরপর আবার বলা হয়েছে, ‘মনোযোগ সহকারে কথা শোনো। ’অর্থাৎ ইহুদিদের একথা বার বার বলার প্রয়োজন হয়। কারণ তারা নবীর কথার প্রতি আগ্রহী হয় না এবং তাঁর কথা বলার মাঝখানে তারা নিজেদের চিন্তাজালে বার বার জড়িয়ে পড়তে থাকে। কিন্তু তোমাদের তো মনোযোগ সহকারে নবীর কথা শুনতে হবে। কাজেই এ ধরনের ব্যবহার করার প্রয়োজনই তোমাদের দেখা দেবে না।

যুগ জিজ্ঞাসা যুগ জিজ্ঞাসা লেখক : মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান সহযােগিতায় : মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম। সৈয...